মাত্র একদিন আগেই অষ্টাদশ লোকসভার প্রথম ভাষণে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিজেপি এবং আরএসএস-কে একযোগে কটাক্ষ করেন বিরধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। আজ, মঙ্গলবার সংসদে জবাবি ভাষণ দিচ্ছেন মোদি। ভাষণের মধ্যেই বিরোধীদের লাগাতার স্লোগানে মাঝপথেই বক্তব্য থামাতে হল প্রধানমন্ত্রীকে। তুমুল হইহট্টগোল শুরু হয় মোদি ভাষণ শুরু করার সঙ্গে সঙ্গেই। বিরোধীদের আচরণের নিন্দা জানান স্পিকার ওম বিড়লা।
নরেন্দ্র মোদি এদিন বলেন, “কংগ্রেস ভাবছে তাঁরাই এই লোকসভা নির্বাচন জিতে গিয়েছে। আসলে তাঁরা জনাদেশ মেনে নিতে পারছে না। এই নিয়ে তৃতীয়বার কংগ্রেস হেরেছে। এমন করছে যেন ১০০-তে ৯৯ পেয়েছে তাঁরা। ভুলে গিয়েছে যে ৫৪৩ আসনের মধ্যে ৯৯ আসন জিতেছে!” সঙ্গে মোদি বলেন, তাঁর শাসনকালে সরকারি সুপারিশে কাজ মেটানোর প্রবণতা অনেক কমেছে। এনডিএ সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতেই আগামী দিনে কাজ করবে বলে জানান তিনি।

রাহুল গান্ধীর উদ্দেশ্যে মোদি বলেন, “আমি একটা গল্প বলতে চাই। একটা ছেলে সাইকেল চালাতে গিয়ে পড়ে গেল। এরপর বড়োরা ছুটে এসে বলে ওই দ্যাখো পাখি উড়ে যাচ্ছে, গাছে কত সুন্দর ফুল ফুটেছে। আসলে, ছেলেটার ব্যথা থেকে দৃষ্টি ঘোরাতেই বড়োরা এসব বলেন। কংগ্রেসও তাই করছে। তাঁদের উচিৎ নিজেদের এই ফলাফলের বিচার করা। সেটা তাঁরা করছেন কিনা আমার সন্দেহ আছে।”
সংসদে মোদির জবাবি ভাষণে বিরোধীদের লাগাতার স্লোগান, দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্সের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

মোদির আজকের ভাষণেও মূল বক্তব্য ছিল, দুর্নীতি। যদিও বিরোধী শিবির থেকে তখন ভেসে আসছিল ‘শেম’ ‘শেম’ ধ্বনি। তার মধ্যেই যদিও ভাষণ চালিয়ে যান প্রধানমন্ত্রী। তিনি সাফ অভিযোগ করেন, “কংগ্রেস আমলে ১ টাকায় ৮৭ পয়সার দুর্নীতি হয়েছে।” দেশে অরাজকতা তৈরিই কংগ্রেসের একমাত্র উদ্দেশ্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি।



