হিরণ তো সাফ বলেই দিলেন, রাজ্য পুলিশ-কেন্দ্রীয় বাহিনী-নির্বাচন কমিশন মিলে তাঁর বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্স করে নিয়েছে! একই সুর অগ্নিমিত্রা পালের কণ্ঠেও। তাঁর বক্তব্য, ভেতরে ছাপ্পা হোক বা পোলিং এজেন্টকে বসতে না দেওয়া, কেন্দ্রীয় বাহিনী বাইরে দাঁড়িয়ে শুধু দেখে যাচ্ছে।
পঞ্চম দফার পুনরাবৃত্তি ষষ্ঠ দফাতেও! উলুবেড়িয়ার চণ্ডীপুরের পর এবার ঘাটালের ডেবরা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক জওয়ানের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ আনলেন এক মহিলা।
যদিও পাল্টা হিরণের বক্তব্য, পুলিশের মদতে এইসব বিক্ষোভ চলছে। পুলিশের সঙ্গে তাঁর তর্কাতর্কিও বেঁধে যায়। চারটের বেশি কনভয় নিয়ে ঘোরা যাবে না বলে হিরণকে বাধা দেয় পুলিশ। হিরণের কোথায়, ভোটের আগের রাতে কেশপুর ও আনন্দপুরে পুলিশ বিজেপি কর্মীদের মারধর করে সব 'সাফ' করে দিয়েছে।
যদিও তাঁর দাবি, এই টাকা নির্বাচন খাতের। তিনি পার্টি অফিস থেকে টাকা নিয়ে অন্যত্র যাচ্ছিলেন। পাল্টা আবার ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, গাড়িতে টাকা ঢুকিয়ে দিয়ে ফাঁসানো হয়েছে বিজেপির নেতাকে।