আলিমুদ্দিনের প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২৪ এর ভোটে যাঁরা যাঁরা সঠিক ভূমিকা পালন করেনি, তিনি যেই স্তরেরই সদস্য হোন না কেন, জেলা কমিটি এই বিষয়টি খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে সেই সদস্যদের বিরুদ্ধে।
বিজেপি সূত্রে খবর, এবার বুথপিছু ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল প্রার্থীদের। সাধারণভাবে একটি লোকসভা এলাকায় ১৯০০-র কাছাকাছি বুথ থাকে। সেই অনুযায়ী টাকার অঙ্কটা প্রায় ৪ কোটি। আলাদা করে পোস্টার-ব্যানার ছাপানোর খরচ হিসাবেও মোটা অঙ্কের টাকা দেওয়া হয় জেলা নেতৃত্বের হাতে। বড় সমাবেশের জন্য আলাদা টাকা দেওয়া হয়। যেমন, প্রধানমন্ত্রী বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরা যখন সভা করেন। সেই বাড়তি খরচের টাকা আসে জেলা নেতৃত্বের কাছে।
লোকসভা নির্বাচনের ভরাডুবি নিয়ে ময়নাতদন্ত চলছে বিজেপির অভ্যন্তরে। এরই মধ্যে আরএসএসের মুখপত্র ‘স্বস্তিকা’ পত্রিকার একটি প্রতিবেদনে স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে, এ রাজ্যে অর্থাৎ বাংলায়...
এবারের লোকসভায় ৩০ জন বাম প্রার্থীর মধ্যে ২৮ জনের জামানত জব্দ হয়েছে। একটি আসনেও জিততে পারেনি তারা। কেবলমাত্র মুর্শিদাবাদে মহম্মদ সেলিম দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেছেন। বিধানসভার নিরিখে রাণীনগর বিধানসভা জিতেছে বামেরা।
শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, "বামেদের মিটিং-মিছিলে মুসলমানরা দল বেঁধে যায়। কিন্তু তাঁদেরকে একটা ভোটও দেয় না। এটা প্রমাণিত। তৃণমূল এবারের লোকসভায় ৯৫ শতাংশ মুসলিম ভোট পেয়েছে।"
বিজেপি সূত্রে খবর, এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে সুকান্ত মজুমদার ইডি-সিবিআই নির্ভরতা নিয়ে চাঞ্চল্যকর বয়ান দেন। তাঁর মতে, অতিরিক্ত এজেন্সি নির্ভরতাই 'কাল' হয়েছে বিজেপির জন্য। তিনি বলেন, "ইডি, সিবিআইয়ের উপর ভরসা করে চলবে না। সব বিষয়ে দিল্লির মুখাপেক্ষী থাকবেন না। আত্মনির্ভর হতে হবে। বুথকে শক্তিশালী করতে হবে। তবেই তৃণমূলের মোকাবিলা করা যাবে।"
২০১৯ সালের লোকসভায় আমেঠি থেকে বিজেপির স্মৃতি ইরানির কাছে হারেন রাহুল। এরপর বেছে নেন ওয়েনাড়কে। সাফল্যও পান। রাহুলের থেকে মুখ ফেরায়নি ওয়েনাড়। এবারেও তাই। সঙ্গে রায়বরেলী থেকে জয় পান রাহুল। এটা আবার তাঁর মা সনিয়া গান্ধীর ছেড়ে আসা আসন।