ফের একবার সিপিআইএম-তৃণমূল মিলিতভাবে বিজেপিকে হারানোর চক্রান্ত করেছিল বলে অভিযোগ তুললেন রাজ্যের বিরোধী দল নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, হিন্দুদের ভোট কেটে তৃণমূলকে ১২টি আসনে জেতানোই ছিল বামেদের মূল এজেন্ডা এবং সেই কাজে তাঁরা সফল হয়েছে।
আরও পড়ুন: কলকাতার মেয়র-পুলিশকর্তাদের হঠাৎ তলব, নবান্নে জরুরি বৈঠক ডাকলেন মমতা


শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “বামেদের মিটিং-মিছিলে মুসলমানরা দল বেঁধে যায়। কিন্তু তাঁদেরকে একটা ভোটও দেয় না। এটা প্রমাণিত। তৃণমূল এবারের লোকসভায় ৯৫ শতাংশ মুসলিম ভোট পেয়েছে। তাহলে হিসেবটা জলের মতো পরিষ্কার হয়ে গেল। হিন্দুদের ভোট কেটে তৃণমূলকে ১২টা আসনে জেতানোর চেষ্টা করেছিল বামফ্রন্ট। সেই কারণেই সুজন চক্রবর্তী, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় বা সৃজন ভট্টাচার্য প্রার্থী হয়েছিলেন। আর আমি মনে করি সেই কাজে বামেরা সফল হয়েছে।”

এবারের লোকসভায় বাংলায় কার্যত ভরাডুবি হয়েছে বিজেপির। ২০১৯ সালে যে ১৮ আসন জিতেছিল পদ্ম শিবির তা এবার কমে হয়েছে ১২। যদিও শুভেন্দু অধিকারী তা মানতে নারাজ। তিনি বারবারই বলছেন, ভোট শতাংশ বিজেপির বেড়েছে এবং পরিসংখ্যানও বলছে তাই। বিরোধী দলনেতার সাফ কথা, সিপিআইএম এবং তৃণমূলের সম্মিলিত প্রয়াসেই হিন্দু ভোট বিজেপি কম পেয়েছে এবং সেই কারণে অনেকগুলি আসন হাতছাড়া হয়েছে। কিন্তু সার্বিকভাবে বিজেপির ভোট শতাংশ অনেকটাই বেড়েছে।
হিন্দু ভোট কেটে তৃণমূলকে ১২ আসনে জেতানোই ছিল বামেদের এজেন্ডা, দাবি শুভেন্দুর



যদিও শুভেন্দু অধিকারীর এই দাবি মানতে নারাজ বাম এবং তৃণমূল উভয়পক্ষই। তাঁদের মতে, বিজেপির জনবিরোধী কার্যকলাপ এবং ধর্মভিত্তিক মেরুকরণের কারণেই এই বিপর্যয় হয়েছে। এই মুহূর্তে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব বিরোধী দলনেতা। রাজভবনের সামনে তিনি ধর্নায় বসতে চাইলেও সেই অনুমতি মেলেনি। কলকাতা হাই কোর্টে দায়ের হয়েছে মামলা। এখন আগামী দিনে শুভেন্দু অধিকারী কোথায় ধর্নায় বসেন সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।







