লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে দুদিনের পর্যালোচনা বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সিপিআইএম। গত বুধ এবং বৃহস্পতিবার ধরে চলল এই আলোচনা। আর বৈঠকের পরে আলিমুদ্দিন সাফ জানালো, বিজেপিকে হারাতে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসাবে তৃণমূলকেই মনে করেছে মানুষ, সেই কারণেই গোটা রাজ্যে জোড়াফুলের জয়জয়কার হয়েছে।
আরও পড়ুন: কথা রাখলেন মমতা, সরকারি কর্মচারীদের অ্যাকাউন্টে অতিরিক্ত DA পাঠাল নবান্ন


একইসঙ্গে এই বৈঠক থেকে বামেরা স্বীকার করে নিয়েছে যে, বিজেপির নিজস্ব একটা ভোট ব্যাঙ্ক তৈরি হয়েছে বাংলায়। বিগত দিনে যা যা নির্বাচন হয়েছিল তারপরই একটা তত্ত্ব সামনে আসত, বামের ভোট রামে গিয়েছে। অর্থাৎ সিপিআইএমের ভোট পড়ছে বিজেপিতে। কিন্তু এই মুহূর্তের পরিস্থিতিকে পর্যালোচনা করে আলিমুদ্দিন মনে করছে, শুধু মাত্র বামের ভোট নামে যাচ্ছে, তাই নয়। বরং বিগত কয়েক বছরে নিজস্ব একটা ভোট ব্যাঙ্ক তৈরি করতে সমর্থ হয়েছে পদ্ম শিবির।

পাশাপাশি, আলিমুদ্দিন মনে করছে, গরিব খেটে খাওয়া মানুষের ভোটও সেই অর্থে তাঁরা পায়নি। আন্দোলন গড়ে তোলায় দুর্বলতা স্বীকার করে নিয়েছেন কিছু নেতা। এছাড়া শহরাঞ্চলে বামেরা একেবারেই ভালো ফল করতে পারেনি, সেখানেও বিজেপি কোথাও কোথাও তৃণমূলের চেয়েও এগিয়ে গিয়েছে। এই বিষয়টি নিয়েও আলোচনা করেছেন বামেদের শীর্ষ নেতৃত্ব।
বিজেপি রুখতে তৃণমূলকেই চায় মানুষ, দলীয় বৈঠকে মেনে নিল CPIM



এবারের লোকসভায় ৩০ জন বাম প্রার্থীর মধ্যে ২৮ জনের জামানত জব্দ হয়েছে। একটি আসনেও জিততে পারেনি তারা। কেবলমাত্র মুর্শিদাবাদে মহম্মদ সেলিম দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেছেন। বিধানসভার নিরিখে রাণীনগর বিধানসভা জিতেছে বামেরা। দু’দিনের এই পর্যালোচনা বৈঠকের পরে এবার বর্ধিত অধিবেশন হবে সিপিআইএমের। কলকাতার বাইরে বসবে সেই অধিবেশন।







