লোকসভা নির্বাচনের ভরাডুবি নিয়ে ময়নাতদন্ত চলছে বিজেপির অভ্যন্তরে। এরই মধ্যে আরএসএসের মুখপত্র ‘স্বস্তিকা’ পত্রিকার একটি প্রতিবেদনে স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে, এ রাজ্যে অর্থাৎ বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোনও গ্রহণযোগ্য-জোরদার মুখ নেই বিজেপির। সেই কারণেই ফলাফল আশানুরূপ হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে পত্রিকায়।
আরও পড়ুন: সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপ্লব, ফলাফল শূন্য! ব্যর্থতায় দায়ে নতুনদের কাঠগড়ায় তুললেন বিকাশ


সদ্যসমাপ্ত লোকসভায় বাংলায় বিজেপির টার্গেট ছিল ৩০। সেখানে আসন সংখ্যা ১৮ থেকে কমে হয়েছে ১২। আর শুধু এ রাজ্যে কেন, গোটা দেশেই বিজেপির ফলাফল ভালো হয়নি। এই প্রথমবারের জন্য একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি পদ্ম-শিবির। সর্বভারতীয়ক্ষেত্রেও বিজেপি নেতৃত্বের সমালোচনা করেছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ। এবার বাংলাতেও তার অন্যথা হল না। গত ১৭ জুনের ‘স্বস্তিকা’ সংখ্যায় যে যে কারণে বিজেপির হার হয়েছে তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মুহূর্তে অন্যতম জনপ্রিয় নেত্রী তা স্বীকার করে নেওয়ার পাশাপাশি একটি প্রতিবেদনে কেন্দ্রবদল নিয়ে লেখা হয়েছে। যেমন, “২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের পর হারিয়ে যাওয়া নেতা থেকে শুরু করে, অচেনা-অজানা আর চমক দেওয়া প্রার্থী চয়নের ফলে বিজেপিকে বড়রকমের খেসারত দিতে হয়েছে। মূলত সাংগঠনিক দুর্বলতায় বিজেপি ৬ আসন, আনুমানিক ১.৫ শতাংশ ভোট হারিয়েছে। সঙ্গে জুড়েছে নেতাদের ক্লৈব্য আর দৃষ্টিকটু অন্তর্দলাদলির কারণ। ভোটের পরেও যার রেশ চলছে।”
মমতার বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য-জোরদার মুখ নেই বিজেপির, স্বস্তিকায় স্বীকার করে নিল RSS



এই মুহূর্তে বঙ্গ বিজেপির প্রয়োজন যোগ্য ও পাল্টা মুখ। সে বিষয়ে লেখা হয়েছে, “পালটা নেতৃত্ব এলে বিজেপির দুর্বল সংগঠন চাঙ্গা হবে। হেরো, পলাতক আর অযোগ্য প্রার্থীদের বাতিল করে পশ্চিমবঙ্গের দল হিসাবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারবে বিজেপি।” যদিও রাজ্যের দুই নেতা সুকান্ত মজুমদার এবং শুভেন্দু অধিকারী আসন সংখ্যা কমলেও মনে করেন বিজেপির শতকরা ভোট বেড়েছে, বিধানসভাও বেশি দখলে এসেছে। অর্থাৎ, তাদের মতে, ফলাফল খারাপ হয়নি।







