আজ, ২৫মে লোকসভা নির্বাচনের ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণ শেষ হল। ছ’টি রাজ্য ও দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে দেশের ৫৮টি আসনে মোট ৮৮৯ জন প্রার্থী ছিলেন। দিনের শেষে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, শতাংশের হারে সবচেয়ে ভোট দিয়েছেন বাংলার মানুষ। পঞ্চম দফায় সারা দেশে ভোট পড়ল ৫৮.৮৪ শতাংশ। সেখানে বাংলার মোট আটটি কেন্দ্র মিলিয়ে ভোটদানের হার ৭৮.১৯ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে ঝাড়খণ্ড, ৬২.১৬ শতাংশ।
আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর সভায় অনুপস্থিত মিনাখাঁর TMC বিধায়ক, মমতার রোষের মুখে ঊষারানি মণ্ডল


বাংলার মোট ৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ ছিল। তমলুক, কাঁথি, মেদিনীপুর, ঘাটাল, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং বিষ্ণুপুর। তমলুকে ভোটদানের হার ৭৯.৭৯ শতাংশ, কাঁথিতে ৭৫.৬৬ শতাংশ, ঘাটালে ৭৮.৯২ শতাংশ, ঝাড়গ্রামে ৭৯.৬৮, মেদিনীপুরে ৭৭.৫৭, পুরুলিয়ায় ৭৪.০৯, বাঁকুড়ায় ৭৬.৭৯, বিষ্ণুপুরে ৮১.৪৭ শতাংশ।

উত্তর থেকে দক্ষিণের দিকে যতই বাংলায় ভোট এগোচ্ছে, ততই চিত্রটা বদলাচ্ছে। ষষ্ঠ দফায় একাধিক এলাকায় ঝামেলা, অশান্তি হল। বিশেষ করে কেশপুরে, গড়বেতায়। ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে ‘গো-ব্যাক’ স্লোগান দিলেন জনতা। আর ঝাড়গ্রামের বিজেপি প্রার্থী প্রণত টুডু তো ইটবর্ষণে আঘাত পেয়ে কিছু সময় হাসপাতালেও পড়ে রইলেন। মাথা ফাটল তাঁর নিরাপত্তারক্ষীর।



শেষ হল ষষ্ঠ দফা নির্বাচন, সবচেয়ে বেশি ভোট পড়ল বাংলায়, কত শতাংশ?
অন্যদিকে, আজ ভোট দিলেন দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, কংগ্রেসের সনিয়া গান্ধী, রাহুল-প্রিয়াঙ্কা প্রত্যেকেই আজ ভোট দিলেন। জেল থেকে বেরিয়েছেন কয়েকদিনের জন্য, সপরিবার ভোট দিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারকেও ভোট দিতে দেখা গেল। মহেন্দ্র সিংহ ধোনি রাঁচিতে ভোট দিলেন।








