তিনি বলেন, ‘‘খুনিরা থানায় এসেছিল। যারা খুন করেছে, মাকে খুন করেছে। রথীবালা আড়ি সঞ্জয় আড়ির মা নন, তিনি আমার মা। খুনিদের সঙ্গে এখনই মিটিং করেছেন। আমি জানতে চাই, খুনির সঙ্গে এখনই মিটিং করেছেন কেন? মজা দেখাব আইসিকে!’’
জঙ্গলমহলবাসীর উদ্দেশে মমতার বক্তব্য, ”বাংলা বুঝতে আপনাদের অসুবিধা হচ্ছে? আমি ধীরে ধীরে সাঁওতালি ভাষাটা শিখে নেব। অলচিকিটা একটু শক্ত আছে। তবে আমি শিখে নেব।”
তমলুকের রাজ ময়দান থেকে হসপিটাল মোড় পর্যন্ত চলল রোড-শো। দু'পাশে ছিল জনতার ঢল। এই তমলুক, বর্তমান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গড় হিসাবে পরিচিত। ফলে, এই কেন্দ্রে জেতা কিছুটা হলেও চ্যালেঞ্জ তৃণমূলের।
আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী এবং কংগ্রেস মুখপাত্র সৌম্য আইচ। সুজনের কথায়, "মমতা এখন বুঝতে পারছেন বিজেপি হারছে। তাই সুর বদলে এদিকে আসতে চাইছেন। আসলে বিজেপির সঙ্গেই আছেন।" সৌম্যর কথায়, "এটাকে বলে সুবিধাবাদী রাজনীতি। হাওয়া বুঝে নিজের মত বদলে ফেলা।"
শেষ হয়েছে লোকসভা নির্বাচনের চতুর্থ দফা। আগামী ২০ মে পঞ্চম দফায় বনগাঁয় ভোটগ্রহণ। তার আগে সেখানে জনসভা করলেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। উনিশের লোকসভায় এই কেন্দ্রটি জেতে বিজেপি।
শেষ হয়েছে লোকসভা নির্বাচনের চতুর্থ দফা। আগামী ২৫ মে ষষ্ঠ দফায় পুরুলিয়ায় ভোটগ্রহণ। তার আগে শিমূল-পলাশের দেশে জনসভা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
উত্তরবঙ্গ থেকে ভোট যত দক্ষিণের দিকে আসছে, ততই যেন চেনা ছবি দেখা যাচ্ছে বাংলায়। চতুর্থ দফায় ছাপ্পা থেকে শুরু করে অশান্তি, রক্তারক্তিকাণ্ড কিছুই বাকি গেল না। বিশেষ করে বর্ধমান-দূর্গাপুর কেন্দ্রের তুল্ল্যা বাজার কার্যত রণক্ষেত্রের আকার ধারণ করল।