নির্বাচনের ঠিক দু’দিন আগে অগ্নিগর্ভ নন্দীগ্রাম। বিজেপি কর্মী সঞ্জয় আড়ির মা রথীবালা আড়িকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে উত্তেজনা। মোট ১৩টি জায়গায় অবস্থান বিক্ষোভে বসেছে বিজেপি। আর নন্দীগ্রাম থানায় এসে পুলিশের বিরদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দদু অধিকারী। ধমক দিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও।
আরও পড়ুন: গরুচুরির টাকায় হিরণের হিরোগিরি! ‘আমার ভদ্রতা দুর্বলতা নয়’ শুভেন্দুকে বার্তা দেবের


শুভেন্দুর অভিযোগ, খুনি থানার আইসি-এর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘‘খুনিরা থানায় এসেছিল। যারা খুন করেছে, মাকে খুন করেছে। রথীবালা আড়ি সঞ্জয় আড়ির মা নন, তিনি আমার মা। খুনিদের সঙ্গে এখনই মিটিং করেছেন। আমি জানতে চাই, খুনির সঙ্গে এখনই মিটিং করেছেন কেন? মজা দেখাব আইসিকে!’’

এরপর থানা থেকে বেরিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উদ্দেশ্যে শুভেন্দু রেগে যান। বলেন, “আপনারা এই পুলিশের কথা মতো কাজ করবেন না। অফিসারদের সঙ্গে কথা বলুন। এই পুলিশ হল তৃণমূলের দালাল। আপনাদের অনুরোধ করছি, আপনারা কাশ্মীরকে সোজা করে দিয়েছেন। এবার বাংলাকে করুন। তৃণমূলের গুন্ডাদের পিটিয়ে সোজা করে দেব।”



অগ্নিগর্ভ নন্দীগ্রাম, তৃণমূলের গুন্ডাদের পিটিয়ে সোজা করার হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর, ধমক পুলিশকেও!
বিজেপি কর্মী খুনে সরাসরি তৃণমূলের বিদায়ী সাংসদ তথা সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, “ভাইপো আসার পরেই এই খুন। তাঁরই পরিকল্পনায় হয়েছে। পিসি ভাইপোকে আমি ছাড়ব না। এই বছর ৩০ আসনে পদ্ম ফুটবে। তারপর এই সরকারের পতন হবে। ২০২৬ অব্দি অপেক্ষা করার কোনও প্রয়োজন নেই।”








