নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত কুন্তল ঘোষের চিঠি মামলার জল অনেক দূর গড়িয়েছে। এই ঘটনায় এবার নয়া মোড়। সিবিআই আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। আগামী বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হতে পারে।
চাপ দিয়ে মিথ্যে কথা বলাচ্ছে ইডি, সোমবার আদালতে প্রবেশের আগে বিস্ফোরক অভিযোগ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত হুগলির যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের। এমনকি তাঁর কাছে প্রমাণ আছে বলেও দাবি করেন তিনি। এদিন আদালতে সেই প্রমাণের কাগজ একটি মুখবন্ধ খামে করে নিয়ে যান তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা।
গোয়েন্দা সংস্থা ইডি আগেই দাবি করেছে নিয়োগ কেলেঙ্কারির কালো টাকা রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়েছে। সেই খরচ হয়েছে নগদে। এবার এনিয়েই প্রশ্ন উঠছে ভোটে খরচ হওয়া টাকার উৎস কী? 'কালো' টাকা দিয়ে ভোটের খরচ জোগানো হয়েছে। তবে কি ইডির তদন্তে উঠে আসতে পারে নতুন তথ্য!
এ ব্যাপারে হাই কোর্টের একক বেঞ্চ যে নির্দেশ দিয়েছিল তাতে হস্তক্ষেপ করলে তদন্তে বাধা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আদালত এ ব্যাপারে নাক গলাবে না। তবে জেরার ব্যাপারে ছাড়পত্র দিলেও সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, অভিষেককে এই মামলায় জরিমানা দিতে হবে না।
কুন্তল ঘোষের যোগসূত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম জড়িয়েছে যুব তৃণমূলের সভানেত্রী সায়নী ঘোষের। গত ৩০ জুল তাঁকে তলব করে ইডি। দীর্ঘ সাড়ে ১১ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জিজ্ঞসাবাদের পর সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি। ধৃত কুন্তল ঘোষের সঙ্গে অভিনেত্রী তথা সভানেত্রীর আর্থিক লেনদেন হয়েছিল বলেই সন্দেহ গোয়েন্দা সংস্থার। এবার নিজের মুখেই কুণাল স্বীকার করলেন তিনি সায়নীকে টাকা দিয়েছিলেন? ব্যাপারটা কী?
গত বুধবার তৃণমূলের তরফে যে প্রচার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল সেখানে নাম ছিল যুব সভানেত্রীর। কিন্তু তাঁকে প্রচারে অংশ নিতে দেখা যায়নি। গত বৃহস্পতিবার ঈদ থাকায় প্রচারে নামেননি। শুক্রবার ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ায় গতকালও প্রচার কর্মসূচি থেকে দূরেই ছিলেন সায়নী। কিন্তু শনিবারও তালিকা থেকে বাদ পড়লেন তিনি। এনিয়েই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে সমালোচনা।