আদালতকে আমি সব শেষে কিছু বলব। নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কিছু তথ্য সামনে আনবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি জানিয়েছেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে কার সই রয়েছে। আদালত যে রহস্য খুঁজে বেড়াচ্ছে তা তিনি অনেকটাই জানেন। তিনি বলেন, আমি আসল তথ্য সামনে আনব। কিন্তু এখনই মুখ খুললে পুরো ঘটনা ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছে যাবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
পুরভোটের প্রচারে বেরিয়ে কল্যান বন্দোপাধ্যায় বলেন, ‘দালালি করার সময় অনেককেই পাওয়া যায়। এখন আইপ্যাক কোথায় গেল? কাজের সময় তো তাদের দেখি না। আমরাই হেঁটে হেঁটে প্রচার করছি। হাতে কাগজ গুঁজে যারা প্রার্থী সুপারিশ করেছিল তাদের তো দেখতে পাচ্ছি না।’
চিঠিতে খোলসা না করলেও আইনজীবীর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে দাবী, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র শীর্ষান্ন বন্দোপাধ্যায়ের হুমকি পেয়েছিলেন তিনি! এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই কানাঘুষো আলোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে। কারন এধরনের কার্যকলাপ যে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের একেবারেই না পসন্দ তা বিলক্ষণ জানেন তৃণমূলের সব মহলের নেতা কর্মীরা।
বিজেপি তে ক্রমশ বিক্ষোভ বাড়ছে। দলের অন্দরে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ। শান্তনু ঠাকুর সহ একাধি শীর্ষ নেতা বিদ্রোহ করছেন। এই প্রসঙ্গে দিলীপের মত, ‘আমাদের এখানে মন্ত্রী-মহামন্ত্রীদের মধ্যে মারমারি হয় না। কেউ কাউকে মাতাল, ছিটেল, জেলখাটা আসামী বলবে, সেটা হয় না। এরকম কালচার আমাদের পার্টিতে নেই।’
বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, 'সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জি তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জির সম্পর্কে যেটা বলেছেন সেটা আমরা মেনে নিতে পারছি না।' যদিও বিক্ষোভকারীদের দাবি তাঁরা যুব তৃণমূলের কর্মী হিসেবে কল্যাণের কুশপুতুল পোড়াননি।