নজরবন্দি ব্যুরোঃ তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে কাজ করে আইপ্যাক। তবে কী কাজ করে, দলের হয়ে কতটা কাজ করে এই সংস্থা, এই নিয়ে দলের অন্দরেই জল্পনা, কল্পনার শেষ নেই। যদিও আইপ্যাক নিজে দাবি করে এসেছে যে তাঁরা শুধু তৃণমূলের হয়ে সমীক্ষা করে। দলের কোনও কর্মকাণ্ডে তাঁরা হস্তক্ষেপ করে না। কিন্তু তৃণমূলের অনেক নেতারই অভিযোগ, দলের যাবতীয় কাজে হস্তক্ষেপ করে প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা। এবার সেই আইপ্যাক কে তীব্র আক্রমণ শানালেন কল্যান বন্দোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ রাজ্য সরকারের অংশগ্রহণ ছাড়া স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত হোক, দাবী বিকাশ ভট্টাচার্যের


রাজ্যে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় বড় ভূমিকা গ্রহন করেছিলে এই সংস্থা। দলে প্রার্থী নির্বাচন থেকে কে কোথায় লড়বে। প্রচারে কি বলা হবে যাবতীয় তৃণমূলি রুট ম্যাপে হস্তক্ষেপ করেছিল তৃণমূল। ‘বাংলার গর্ব মমতা’ বা ‘দিদিকে বলো’ প্রজেক্ট নাকি আইপ্যাকেরই সৃষ্টি করা। তবে এখন নাকি তৃণমূলের সাথে সম্পর্কের ইতি ঘটেছে আইপ্যাকের। সংস্থার তরফে আনফলো করা হয়েছে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ট্যুইটার অ্যাকাউন্টকে।
সূত্রের খবর, দলের কর্মকাণ্ডে আইপ্যাকের হস্তক্ষেপ এবং প্রার্থী বাছাই নিয়ে অসন্তোষের জেরে চিড় ধরেছে তৃণমূল-আইপ্যাক সম্পর্কে। তৃণমূলের একাংশের অভিযোগ, পরামর্শদাতা সংস্থার বাড়বাড়ন্তেই দলের অন্দরে দ্বন্দ্ব চরমে উঠেছে। এই বিষয়ে তৃণমূলের হেভিওয়েট বর্ষীয়ান নেতারা মমতার কাছে এই নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন।
এই যখন পরিস্থিতি তখনই প্রশান্ত কিশোরের সংস্থাকে তীব্র আক্রমণ করলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যান বন্দোপাধ্যায়। আইপ্যাককে ‘দালাল’ বললেন তিনি। দল নেত্রী বারবার সতর্ক করেছেন দলবিরোধী কোনও মন্তব্য প্রকাশ্যে করা যাবে না। কিন্তু নেত্রীর সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে এদিন আইপ্যাক কে দালাল শিরোপা দিয়েছেন কল্যান বন্দোপাধ্যায়।


প্রশান্ত কিশোরের সংস্থাকে তীব্র আক্রমণ, আইপ্যাককে ‘দালাল’ বললেন কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়।

পুরভোটের প্রচারে বেরিয়ে কল্যান বন্দোপাধ্যায় বলেন, ‘দালালি করার সময় অনেককেই পাওয়া যায়। এখন আইপ্যাক কোথায় গেল? কাজের সময় তো তাদের দেখি না। আমরাই হেঁটে হেঁটে প্রচার করছি। হাতে কাগজ গুঁজে যারা প্রার্থী সুপারিশ করেছিল তাদের তো দেখতে পাচ্ছি না।’







