উত্তরবঙ্গকে উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে যুক্ত করে দেবার প্রস্তাব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এর সঙ্গেই আবার মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং বিহারের তিন জেলাকে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হিসাবে ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। বিজাপির রাজ্য সভার সাংসদ অনন্ত মহারাজ আবার কোচবিহারকে আলাদা রাজ্যের মর্যাদা দেওয়ার দাবি করেছেন।
বুধবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষণ চলাকালীন বারবার শোরগোল সৃষ্টি হয় সংসদে। প্রায় এক ঘন্টার কাছাকাছি ঝাঁঝালো ভাষণ দেন তিনি। বিজেপিকে সমস্ত দিক দিয়ে আক্রমণ করেন। বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ লাগাতার অভিষেককে বাধা দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁর সঙ্গেই বচসায় জড়িয়ে পড়েন অভিষেক স্বয়ং এবং কল্যাণ। পিছনের সারিতে বসা মহুয়া মৈত্র, শতাব্দী রায় বা সায়নী ঘোষেরাও খেয়াল রাখছিলেন যাতে তাঁদের দলের সেনাপতিকে কোনওভাবে বাধা দেওয়া না হয়। আর সেক্ষেত্রেই কল্যাণ অসংসদীয় শব্দের ব্যবহার করেছেন, বলে সরব বিজেপি।
কল্যাণ ও জয়প্রকাশের এই ভিন্ন ভিন্ন মন্তব্যের পর তৃণোমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিতর্ক ধামাচাপা দিতে বলেন, "শোভন ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুবই কাছের মানুষ। এই বিষয়ে যা সিদ্ধান্ত নেবার তিনি নেবেন। এর মধ্যে তৃতীয় কোনও ব্যক্তির থাকা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি না। যা হবার সময়ের সাথে সাথেই দেখা যাবে।"
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বঙ্গ রাজনীতিতে তো বটেই, দেশের মধ্যে এক ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক চরিত্র। বেশ কয়েক মাস আগে তিনি উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার স্পিকার জগদীপ ধনকড়কে 'নকল' করেন সংসদের বাইরে। সেখানে কল্যাণের 'নাটকীয়' উপস্থাপনা দেখে পকেট থেকে মোবাইল বের করে ভিডিও তোলা শুরু করেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী।