প্রথম থেকেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, দীপ্সিতা ধর তাঁকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করছেন। এদিন রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষ্যে একটি রাস্তার মোড়ে উপস্থিত ছিলেন শ্রীরামপুরের বিদায়ী সাংসদ। সেই সময় পাশ দিয়ে সিপিআইএম-এর মিছিল যাচ্ছিল। সেই দেখে হঠাৎ করে উত্তেজিত হয়ে পড়েন কল্যাণ।
সেদিন গাড়িতে কল্যাণকে বলতে শোনা যায়, “আমাকে তো ভোটটা করতে হবে ভাই। তোমাকে আগেও বলেছি, গ্রামের দিকে প্রচারে এসো না। গ্রামের মহিলারা ভীষণ রিঅ্যাক্ট করছেন। এসো না প্লিজ।”
বালুর বিরুদ্ধে সরব হয়েছে তৃনমূল হেভিওয়েটরা। শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যান ব্যানার্জি বলেন, “বালুর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত নয়। তবে অপকর্ম কিছু যদি করে থাকে তার দায় কখনওই দিদির নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেশন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে বলেছিলেন, দুর্নীতিতে প্রশ্রয় দেননি কখনও।”
বিশ্ববিদ্যালয় রাগিং চলে। যেন বিশ্ববিদ্যালয়টায় যা খুশি করার জায়গা। মাদকদ্রব্য আগের ব্যবহার চলে অবাধে। সেই কারণেই এই স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান যাতে সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয় আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন’।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে কুৎসা হলে ধোলাই হবে, পেটাই হবে। অভিষেকের নাম কুৎসা হলে ধোলাই, পেটাই হবে। শনিবার চুঁচুড়ার ঘড়ি মোড় থেকে একটি সভা থেকে হুঁশিয়ারি দিলেন চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার। একইসঙ্গে এদিন বদলার স্লোগান দিলেন কল্যাণ। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে।