কারণ কিছু দিনের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবেন মোদী। তার আগেই অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর মুখে এই মন্তব্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
২০২১ সালে হোয়াইট হাউজে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এটি জো বাইডেনের আয়োজন করা তৃতীয় বৈঠক এবং নৈশভোজের আমন্ত্রণ। গত ডিসেম্বর মাসে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রকে নৈশভোজের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। চলতি বছর ২৬ এপ্রিল দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়ুন সুক ইয়োলের জন্য নৈশভোজের বিশেষ আয়োজন করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
কিন্তু ঘরোয়া রাজনীতিতেও একাধিক ইস্যুতে কোণঠাসা হয়ে আছেন তিনি। তা সত্ত্বেও ২০২৪ সালে নির্বাচনে লড়লে রিপাবলিকান পদপ্রার্থীকে তিনি হারাতে পারবেন কি না তা নিয়ে সংশয় আছে দলের মধ্যেই।
আদানি ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের উপর চাপ বাড়ছে। বিরোধীরা নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ খারিজ হওয়া নিয়েও মোদীকে আক্রমণ শানিয়েছেন বিরোধীরা। এসবের মাঝেই সেরার শিরোপা পেলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।
সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, চলতি বছরেই মোদিকে মার্কিন সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে কোন মাসে মার্কিন সফরে যাবেন মোদি? তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে জি-২০ সম্মেলনের সভাপতিত্বের জন্য প্রস্তুতির মাঝে মোদিকে আমন্ত্রণ বাইডেনের। যা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
“আমার আইনজীবী আমাকে যা পরামর্শ দিয়েছেন তাই মেনে চলছি।” তবে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি কেন বাইডেনর নিজের বাড়িতে রেখেছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
টুইটার কেনার পরই সংশ্লিষ্ট সংস্থার সকল বোর্ড মেম্বারদের ছাঁটাই করে দিয়েছেন তিনি এবং তার পরপরই তিনি জানিয়ে দেন টুইটারের কর্মী সংখ্যা ৭৫০০ থেকে একধাক্কায় নামিয়ে আনবেন তিনি।