সন্ধে সাড়ে সাতটা থেকেই শুরু হবে ম্যাচ। ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ রয়েছে। তাই ওইদিন ম্যাচ না খেলার আবেদন জানিয়েছিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই পিছিয়ে দেওয়া হল ম্যাচ। আপাতত ইন্ডিয়ান সুপার লিগে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মোহনবাগান। ১৮ ম্যাচে ৩৯ পয়েন্ট তাদের। লিগ শীর্ষে থাকা মুম্বইয়ের পয়েন্ট ৪১।
যাবতীয় টালবাহানার পর আগামী ১০ মার্চই হবে আইএসএল-এর দ্বিতীয় ডার্বি। তার আগেই টিকিটের দামকে কেন্দ্র করে বিতর্ক সৃষ্টি হল দুই প্রধানের মধ্যে। এমনকি ডার্বি বয়কটের সিদ্ধান্ত নিল মোহনবাগান! তাহলে কি রবিবার মুখোমুখি হচ্ছে না ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান?
এবারের ম্যাচ আয়োজন করবে ইস্টবেঙ্গল। তাই যুবভারতীতে খেলা না হলে তাদের প্রথম পছন্দ জামশেদপুর। জানা গিয়েছে ইতিমধ্যেই এই ম্যাচ নিয়ে আলোচনা শুরু করে দিয়েছে ইটবেঙ্গল কর্তারা। সব ঠিকঠাক থাকলে ১০ই মার্চ জামশেদপুর এই হবে ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগান ডার্বি।
সেই ম্যাচ জিততে পারলে পয়েন্ট তালিকায় আরও কিছুটা উপরে পৌঁছবে। দশ নম্বর থেকে কি প্লে অফে পৌঁছতে পারবে ইস্টবেঙ্গল? কাজটা প্রবল কঠিন লাল-হলুদের জন্য। নতুন সার্বিয়ান ডিফেন্ডার এসে কত তাড়াতাড়ি দলের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেন সেটাই এখন দেখার।
বুমো অবশ্য চলতি মরশুমে নিজের নামের প্রতি সেভাবে সুবিচার করতে পারেননি। কোচ হয়ে হাবাস আসায় বুমোর মোহনবাগান ছাড়া ত্বরান্বিত হল। কাউকো আসায় সবুজ-মেরুনের মাঝমাঠ যে আরও শক্তিশালী হবে, তা বলাই বাহুল্য।
অপর দিকে জয়ের নায়ক ক্লেটন ম্যাচের পর বলেছেন, “অনেক দিন পরে গোল করতে পেরে খুবই ভাল লাগছে। এই জায়গায় আসার চেষ্টা করছিলাম অনেক দিন ধরেই। অবশেষে নিজের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে ও দলকে জেতাতে পেরে ভাল লাগছে।”