বুধবারের জয়ের পর তাদের মোট পয়েন্ট হলো ২৭, যা ২২ ম্যাচে অর্জিত হয়েছে। তবে এখনও শেষ হয়নি তাদের যাত্রা। বাকি দুটি ম্যাচ জিতলে ইস্টবেঙ্গল ৩৩ পয়েন্টে পৌঁছাতে পারবে, এবং তখন তারা প্রথম ছয়ের মধ্যে উঠে আসতে পারবে।
এই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল সহজ দুটি সুযোগ নষ্ট করেছে, যা তাদের প্লে-অফের আশা বাঁচিয়ে রাখতে পারত। প্রথমটি ছিল নিশুর ফ্রি কিক, যা সাউল বাইরে শট করেন। পরে, রিচার্ড সেলিসও সুযোগ নষ্ট করেন, যখন লালচুংনুঙ্গার ক্রস তাঁর কাছে আসলেও গোল করতে ব্যর্থ হন।
ডার্বি ম্যাচের আগে নতুন স্ট্রাইকার সই করিয়ে শক্তি বাড়িয়েছে ইস্টবেঙ্গল। রিচার্ড সেলিসের অভিজ্ঞতা এবং বহুমুখী দক্ষতা আইএসএলের বাকি মরশুমে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এবার দেখার, মাঠে তিনি নিজের প্রতিভার ছাপ কতটা রাখতে পারেন।
আনোয়ার জানান, সমর্থকদের আবেগ দেখে মুগ্ধ তিনি। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে নিজেকে উজাড় করে দিতে চান। কিন্তু আপাতত লাল হলুদ জার্সিতে মাঠে নামা হচ্ছে না আনোয়ারের। মোহনবাগানের চুক্তি ভেঙে কলকাতার আরেক প্রধানে যোগ দেওয়ার জন্য বড় শাস্তির মুখে পড়তে হল জাতীয় দলের ডিফেন্ডারকে।
ফাইনালে সামনে যে দলই থাকুক না কেন, আমরা জেতার জন্যই মাঠে নামব। সমর্থকেরা যদি আমাদের পাশে এ ভাবে থাকেন, তা হলে পারফরম্যান্স এমনিতেই ২৫ শতাংশ ভাল হয়ে যায়। ফাইনালেও নিশ্চয়ই তা-ই হবে। সবাইকে ধন্যবাদ”।