এফসি চেন্নাইয়িনের কাছে ০-৩ গোলে হেরে ইস্টবেঙ্গলের প্লে-অফে ওঠার সম্ভাবনা প্রায় শেষ হয়ে গেল। চলতি মরসুমে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে “স্বপ্ন দেখা” এবং “স্বপ্ন ভাঙা” এই শব্দ দুটি অনিবার্যভাবে যুক্ত হয়ে উঠেছে। একদিকে জয়ের পর প্লে-অফের আশা, অন্যদিকে হারলে সেই আশা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে যায়। শনিবার ঘরের মাঠে চেন্নাইয়িনের বিরুদ্ধে এই হারের পর ইস্টবেঙ্গলের প্লে-অফে যাওয়ার গণনায় কিছুটা আশা থাকলেও, তাদের পরিস্থিতি অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
রক্ষণে শিশুসুলভ ভুল, নিশু কুমারের আত্মঘাতী গোল


ইস্টবেঙ্গল শুরুটা ভাল করেছিল, তবে এক অজ্ঞাত কারণে মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই তারা চাপ সামলাতে ব্যর্থ হয়। প্রথম গোলটি আসে নিশু কুমারের আত্মঘাতী শটে, যখন চেন্নাইয়িনের শিল্ডসের ডান দিকে বল চলে যায় এবং নিশু তার পায়ে লাগিয়ে নিজের গোলেই ঢুকিয়ে দেন। এর পরেই দ্বিতীয় গোলটি আসে নিশুর ভুলে, যেখানে ইরফানের ক্রসে পা লাগিয়ে গোল করেন জর্ডান উইলমার। পুরো ম্যাচে আরও কিছু ভুল রক্ষণের সুযোগ তৈরি হয়েছিল, তবে সেগুলোও চেন্নাইয়ের গোলরক্ষক এবং আক্রমণাত্মক খেলা দিয়ে রোধ করা হয়েছে।
অস্কারের ‘প্ল্যান বি’ ব্যর্থ, ইস্টবেঙ্গল আক্রমণ করতে না পারলে
চলতি মরসুমে ইস্টবেঙ্গল অধিকাংশ গোল করেছে দ্বিতীয়ার্ধে। তবে, চেন্নাইয়িনের রক্ষণ যথেষ্ট শক্ত ছিল এবং ইস্টবেঙ্গল সেই রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয়। অস্কার ব্রুজো বিরতির পর কৌশল পরিবর্তন করেন এবং খেলোয়াড় পরিবর্তন করেন, কিন্তু তাতেও চেন্নাইয়ের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। খেলার মধ্যে ইস্টবেঙ্গল কিছু সুযোগ পেয়েছিল, তবে সেগুলোর মধ্যে দুটি সহজ সুযোগ তারা নষ্ট করেছে।


সহজ সুযোগ নষ্ট, ২-২ হওয়ার সম্ভাবনা চূড়ান্তভাবে হারানো
এই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল সহজ দুটি সুযোগ নষ্ট করেছে, যা তাদের প্লে-অফের আশা বাঁচিয়ে রাখতে পারত। প্রথমটি ছিল নিশুর ফ্রি কিক, যা সাউল বাইরে শট করেন। পরে, রিচার্ড সেলিসও সুযোগ নষ্ট করেন, যখন লালচুংনুঙ্গার ক্রস তাঁর কাছে আসলেও গোল করতে ব্যর্থ হন।







