মে মাসে ইমরান খান গ্রেফতার হতেই তাঁর সমর্থকরা নেমেছিলেন রাস্তায়। গোটা পাকিস্তান অচল করে দিয়েছিলেন ইমরান সমর্থকরা। সেই সঙ্গে বিভিন্ন সরকারি ভবন এবং অফিসে ভাঙচুরও চলে। যা নিয়ে পাক প্রশাসন ব্যাপক চাপ তৈরি করেছে ইমরানের উপরে।
আমাদের আশা, এই বিষয়ের কোনও শান্তিপূর্ণ সমাধান হবে। এবং তা হবে সংবিধান ও আইনের শাসন মেনে।” তাঁর এই বক্তব্য থেকে পরিষ্কার, পাকিস্তান যদি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা না ফেরাতে পারে, তবে তাদের সাহায্য করা সম্ভব হবে না আইএমএফের পক্ষে।
হিংসাত্মক ঘটনায় ইমরান ক্ষমা চাইলে তবেই আলোচনা সম্ভব হতে পারে। তাঁর কথায়, “সেদিন দেশজুড়ে যে হিংসা হয়েছে তার দায় নিয়ে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে ইমরানকে। একমাত্র তবেই আলোচনা হতে পারে।”
ছাড়া পাওয়ার পরেই একের পর এক নেতা দলত্যাগ করছেন। দলের সদস্যপদ ছাড়ার হিড়িক পড়ে গিয়েছে নিচুতলার পিটিআই সদস্যদের মধ্যেও। সব মিলিয়ে এখনও অগ্নিগর্ভ পাকিস্তান।
হিংসার নেপথ্যে কে বা কারা রয়েছে তা তদন্ত না করেই আমাদের সমর্থক, নেতৃত্ব এবং মহিলাদের জেলে ঢোকানো হয়েছে।” এবার এই পরিস্থিতে নিজের দল বাঁচাতে কি পদক্ষেপ নেন ইমরান সে দিকেই তাকিয়ে পাকিস্তানের আম জনতা।
এ বিষয়ে শনিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে পাক মন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ বলেছেন, “জামান পার্কে জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছে। অস্ত্র, পেট্রল বোমা উদ্ধার হয়েছে ইমরান খানের বাড়ি থেকে। পিটিআই জঙ্গি সংগঠন তা প্রমাণের জন্য পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে আমাদের হাতে।”
আমি বুঝতে পারছি আগামী দিনে বড়সড় বিপর্যয়ের দিকে এগোচ্ছে পাকিস্তান। অবিলম্বে নির্বাচন না হলে একেবারে পূর্ব পাকিস্তানের দশা হবে দেশের। ভেঙে যাবে পাকিস্তান।”