যতদিন না পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড কার্যকরী সিদ্ধান্ত নেয়, ততদিন দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যত অন্ধকারই রয়ে যাবে। ইমরান খানের ভাষায়, "কেবল দোষারোপ নয়, বরং কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।"
উল্লেখ্য, এর আগেও গত ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচন অনুাষ্ঠিত হওয়ার আগেই পিটিআই এর স্বীকৃতি বাতিল করে পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন। এরপরেই ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির নির্বাচনে ইমরানের অনুগামীরা নির্দল হিসাবে ভোটে লড়ে ৮৪টি আসনে জয় ছিনিয়ে আনে। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় সরকার গঠনের জন্য তেমন কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি তারা।
প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে চূড়ান্ত ফলপ্রকাশে দেরী হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে, পিটিআইয়ের উপরে নির্বাচন কমিশন নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও, নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হিসাবে লড়ছেন ইমরান খানের দলের সদস্যরা। ১০০ টির বেশী আসনে এখন এগিয়ে আছেন তারা।
আশা করছি যে এই রায় বাতিল করে দেওয়া হবে। কারণ দু'বার এই মামলার শুনানি বাতিল করে দিয়েছিল ইসলামাবাদ হাইকোর্ট। তারপরও মামলার শুনানি হয়েছে। জনগণ এবং সংবাদমাধ্যম যাতে এই মামলার বিষয়ে জানতে পারে, সেই নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।
এই প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি রাষ্ট্রদ্রোহীতা মত গুরুতর বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত হয়ে গত অগাস্ট মাস থেকে পাকিস্তানের জেলে বন্দি রয়েছেন। এই মামলায় জামিন পেলেও অন্যান্য মামলার শুনানি এখনো চলছে ফলে এক্ষুনি পিটিআই নেতার মুক্তির সম্ভাবনা খুবই কম।
নজরবন্দি ব্যুরো: মামলা মোকদ্দমা যেন পিছুই ছাড়ছে না পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের! এবার তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নাকি পাকিস্তানের আইন মেনে বুশরা বিবিকে...