বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে পাকিস্তানের ভোটগ্রহণ। শুক্রবার ভোর থেকেই শুরু হয়েছে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনের ফল্প্রকাশ। পাক নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পাকিস্তানের বিভিন্ন আসন থেকে এক এক করে ভোটের ফলপ্রকাশ হতে শুরু করে। ৩৩৬ আসনের মধ্যে ২৬৬ জন প্রার্থী সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে থাকে।



আরও পড়ুন : প্রেমের মাসে লক্ষ্মীপুজো তৃণমূলের, জেলায় জেলায় উদযাপন
বাকী ৭০ টি আসন সংরক্ষিত থাকে। এর মধ্যে ৬০ টি আসন মহিলাদের জন্য এবং ১০ টি অমুসলিমদের জন্য সংরক্ষিত।বিধানসভায় প্রতিটি দলের প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে এই আসনগুলি বরাদ্দ করা হয়। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ন্যুনতম ১৩৩ টি আসন প্রয়োজন। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে ইমরানের পিটিআই, নওয়াজের পিএমএল(এন) এবং বিলাবল ভুট্টো – জারদারির পিপিপি দলের মধ্যে।



পাকিস্তানের ভোট গণনার মধ্যেই জানা গেল গতকাল রাত থেকেই উধাও পাকিস্তানের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। ভোটের ফল ঘোষণায় দেরি হওয়ায় পাকিস্তানের শিয়ালকোটে আরও অফিসের বাইরে জমায়েত হওয়া সাধারণ মানুষের ওপরে গোলাবর্ষন করা হয়। মনে করা হচ্ছে পাকিস্তানে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গড়তে প্রয়োজন হতে পারে জোটের।

পাকিস্তানের ভোটে রিগিং, গোলাবর্ষণ, আহত ৩ পিটিআই কর্মী
তবে ফল ঘোষণার আগেই গহর আলি খান জোটের জল্পনা ওড়ালেন। জানা যাচ্ছে, নির্বাচন কমিশনের অ্যাপে কিছু প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে চূড়ান্ত ফলপ্রকাশে দেরী হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে, পিটিআইয়ের উপরে নির্বাচন কমিশন নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও, নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হিসাবে লড়ছেন ইমরান খানের দলের সদস্যরা। ১০০ টির বেশী আসনে এখন এগিয়ে আছেন তারা।







