ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর ইস্যুতে উত্তেজনা অব্যাহত। তবে ভারত স্পষ্ট করে বলেছে, কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদ ও মিথ্যা প্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়েছে।
ভারতীয় প্রতিনিধির এই বক্তব্যে পরিষ্কার হয়ে যায় যে, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং সেখানে পাকিস্তানের উপস্থিতি শুধুমাত্র অবৈধ দখলদারিত্বের একটি উদাহরণ।
গ্রহাণুর এই বিপদের মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক মহাকাশ সংস্থাগুলিকে একযোগে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। তবে, গ্রহাণুর আঘাত ঠেকানোর জন্য এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পরিকল্পনা তৈরি করা হয়নি।
আগামী অক্টোবর মাসে ইসলামাবাদে আয়োজিত হতে চলেছে সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর বৈঠক। সেই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানাল পাকিস্তান। পাক বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মুমতাজ জাহরা বালোচ জানিয়েছেন, ইসলামাবাদ বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্য বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, সেই তালিকায় রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি।
মঙ্গলবারই সংসদে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী একটি প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন সর্বদলীয় বৈঠকে। তিনি কেন্দ্রকে প্রশ্ন করে, বাংলাদেশের এই পরিস্থিতির নেপথ্যে কি পাকিস্থানের কোনও হাত রয়েছে? জবাবে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানান, এ বিষয়ে তদন্ত করতে দেখবে ভারত সরকার।