ভোটের দিন কালীঘাটে হঠাৎই চড়ে গেল উত্তেজনার পারদ—বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী-কে ঘিরে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা। ‘চোর-চোর’ স্লোগানে আটকে যায় তাঁর কনভয়, তৈরি হয় তুমুল অস্থিরতা। পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ফোন করতে দেখা যায় তাঁকে।
ঘটনাটি ঘটে কালীঘাট রোড ও হরিশ মুখার্জি রোডের সংযোগস্থলে। অভিযোগ, সেখানে পৌঁছতেই শুভেন্দুকে লক্ষ্য করে বিক্ষোভ শুরু করেন তৃণমূল সমর্থকেরা। মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, কনভয় এগোতে পারেনি। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু দাবি করেন, তাঁর উপর ‘বহিরাগত’ হামলার চেষ্টা চলছে এবং সঙ্গে সঙ্গেই তিনি সিআরপিএফকে ফোন করে হস্তক্ষেপের আবেদন জানান।
অন্যদিকে তৃণমূলের তরফে পাল্টা অভিযোগ ওঠে। স্থানীয় কাউন্সিলর তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর পরিবারের সদস্য কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, শুভেন্দু ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তেজনা তৈরি করছেন এবং ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন।
পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। জয় হিন্দ ভবনের সামনে শুরু হয় লাঠিচার্জ, বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে তৎপর হয় বাহিনী। এই সময় শুভেন্দুকে নিজেও বিক্ষোভকারীদের দিকে এগোতে দেখা যায়।
ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই আত্মবিশ্বাসী সুরে শুভেন্দু বলেছিলেন, ভবানীপুরে ভোটের হার বেশি হলে তিনি বড় ব্যবধানে জিতবেন। কিন্তু তার পরেই এই অশান্তি নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াল।
সব মিলিয়ে, ভোটের দিন কালীঘাটে এই সংঘাত ফের প্রশ্ন তুলল আইন-শৃঙ্খলা ও নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে।



