এবার আরও চাপে পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এবার ইমরান খানের তৈরি রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ অর্থাৎ পিটিআইকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল সে দেশের সরকার। সোমবার এ কথা ঘোষণা করেছে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সরকারের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লা তারার।
কিন্তু একটি রাজনৈতিক দলকে দেশ থেকে হঠাৎ করে নিষিদ্ধ করার পিছনে কি কারণ থাকতে পারে? যদিও এ বিষয়ে পাক তথ্যমন্ত্রী জানান, নিয়ম-বহির্ভূত ভাবে বিদেশি অনুদান পাওয়া, ৯ মে ঘটা হিংসায় সরাসরি ভেন পিটিআইয়ের জড়িত থাকা, সাইবার মামলা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পিটিআইয়ের যুক্ত থাকার কারণেই পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে পাক সরকারের এই ঘোষণা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলেই অভিযোগ তুলছে বিরোধীরা।



উল্লেখ্য, এর আগেও গত ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচন অনুাষ্ঠিত হওয়ার আগেই পিটিআই এর স্বীকৃতি বাতিল করে পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন। এরপরেই ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির নির্বাচনে ইমরানের অনুগামীরা নির্দল হিসাবে ভোটে লড়ে ৮৪টি আসনে জয় ছিনিয়ে আনে। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় সরকার গঠনের জন্য তেমন কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি তারা।
পাকিস্তানে নিষিদ্ধ হল ইমরান খানের দল PTI, ঘোষণা শাহবাজ সরকারের



প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে দলীয় মর্যাদা ফিরে পায় পিটিআই। তবে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরানের পিটিআই দলগত ভাবেই পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির ২৩টি সংরক্ষিত আসন পাওয়ার যোগ্য বলে জানায় সুপ্রিম কোর্ট। যদিও পরে তাঁরা সুন্নি ইত্তেহাদ কাউন্সিলের সদস্য হিসাবে শপথ নিয়ে বিরোধী দলনেতার পদ পান।ফলে শাসক জোটের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাও থাকবে না সেই কারণেই নিষেধাজ্ঞা জারির পদক্ষেপ বলে অভিযোগ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ।তবে এই ঘটনার জেরে প্রায় দু’দশক পরে ফের পাকিস্তানে শাসক বনাম সুপ্রিম কোর্ট সংঘাতের আবহ তৈরি হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।








