ভোট-পরবর্তী উত্তেজনার মাঝে স্ট্রংরুম ঘিরে জোর বিতর্ক—আর সেই আবহেই সামনে এল নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট অবস্থান। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রকে ঘিরে অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ আর রাজনৈতিক তরজার মধ্যে সাংবাদিক বৈঠকে কমিশন জানাল, “যে সব অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে, তার কোনও ভিত্তি নেই।”
বৃষ্টিভেজা কলকাতায় স্ট্রংরুমের বাইরে সকাল থেকেই ছিল টানটান পরিস্থিতি। প্রার্থীদের মধ্যে বচসা, কর্মীদের মধ্যে তর্কাতর্কি—সব মিলিয়ে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। এই পরিস্থিতিতেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সিইও Manoj Agarwal এবং ডিইও নর্থ Smita Pandey।


কমিশনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন স্মিতা পাণ্ডে। তাঁর কথায়, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের স্ট্রংরুম রয়েছে এবং সব প্রক্রিয়া প্রার্থীদের উপস্থিতিতেই আগের দিন সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে শেষ করা হয়েছে। স্ট্রংরুম সিল করা হয়েছে এবং সেই অবস্থাও বাইরে থেকে দৃশ্যমান।
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে কী বলল কমিশন?
কমিশনের বক্তব্য, পোস্টাল ব্যালট সংক্রান্ত কাজ স্ট্রংরুমের বাইরে নির্দিষ্ট কক্ষে নিয়ম মেনেই চলছিল। বিধানসভাভিত্তিকভাবে পোস্টাল ব্যালট আলাদা করার কাজ করছিলেন সহকারী রিটার্নিং অফিসাররা। সব রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আগেই ইমেল মারফত জানানো হয়েছিল—সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের তরফে সেই তথ্য পাঠানো হয়।
স্মিতা পাণ্ডে জোর দিয়ে বলেন, “কাউকে না জানিয়ে কিছু করা হয়নি। এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।” তিনি আরও জানান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁদের সব কিছু দেখানো হয়েছে।


প্রসঙ্গত, Shashi Panja ও Kunal Ghosh-সহ একাধিক নেতার উপস্থিতির কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তাঁদের সামনে পুরো প্রক্রিয়া দেখানো হয়েছে এবং তা রেকর্ডও করা হয়েছে বলে দাবি কমিশনের।
সব মিলিয়ে, স্ট্রংরুম ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তা সম্পূর্ণ ভুল বোঝাবুঝি বলেই দাবি নির্বাচন কর্তৃপক্ষের। তবে গণনার আগে এই ধরনের উত্তেজনা যে রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলছে, তা বলাই বাহুল্য।







