বিজেপি জয়ে দিলীপের প্রত্যাবর্তন, মন্ত্রিত্ব নিয়ে জল্পনায় কী বললেন তিনি?

খড়্গপুর সদর থেকে জয়ের পর বিজেপির নতুন সরকারে দিলীপ ঘোষের ভূমিকা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে, তবে দায়িত্ব নিয়ে আপাতত দলের সিদ্ধান্তের উপরই ভরসা রাখছেন তিনি।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর রাজ্য রাজনীতিতে ফের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন দিলীপ ঘোষ। খড়্গপুর সদর থেকে জোড়া সাফল্যের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—নতুন সরকারে কি বড় দায়িত্ব পেতে চলেছেন তিনি? জল্পনা বাড়তেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি।

দীর্ঘ ১০ বছর পর আবার বিধায়ক হিসেবে ফিরেছেন দিলীপ ঘোষ। খড়্গপুর সদর কেন্দ্র থেকেই প্রায় ৩০ হাজার ভোটে পরাজিত করেছেন তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ সরকার-কে। এই জয়ের পর বিজেপির অন্দরে তাঁর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে।

মঙ্গলবার সকালে খড়্গপুরে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ বলেন, “দল আমাকে টিকিট দিয়েছে, আমি লড়েছি এবং জিতেছি। এবার দল যা দায়িত্ব দেবে, তা আমি সাদরে গ্রহণ করব।” তাঁর এই মন্তব্যে স্পষ্ট, আপাতত কোনও পদ দাবি না করে দলের সিদ্ধান্তের উপরই ভরসা রাখছেন তিনি।

রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদল নিয়েও সরব হয়েছেন দিলীপ। তাঁর বক্তব্য, “পশ্চিমবঙ্গের মানুষ অনেক সহ্য করেছেন। ১৫ বছর সুযোগ দেওয়ার পর এ বার আর সুযোগ দেননি। তাই পরিবর্তন এসেছে।” পাশাপাশি অতীতের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, বাম জমানার শেষেও একইভাবে নেতৃত্বের পতন হয়েছিল।

উল্লেখযোগ্যভাবে, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে। মোট ২৯৩টি আসনের মধ্যে ২০৬টিতে জয়ী হয়েছে গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর দল তৃণমূল পেয়েছে ৮১টি আসন। কংগ্রেস ২টি এবং সিপিএম ১টি আসনে জয়ী হয়ে উপস্থিতি জানান দিয়েছে।

এ ছাড়াও ভাঙড় কেন্দ্রে জয় ধরে রেখেছেন নওশাদ সিদ্দিকি। অন্যদিকে নতুন রাজনৈতিক চমক হিসেবে উঠে এসেছেন হুমায়ুন কবীর, যিনি একাধিক কেন্দ্রে জয় পেয়েছেন।

সব মিলিয়ে, বিজেপির নতুন সরকারের গঠন ঘিরে যখন জোর জল্পনা চলছে, তখন দিলীপ ঘোষের ভবিষ্যৎ ভূমিকা কী হতে চলেছে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত