নিয়োগের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র প্যানেল লিস্ট নয়, ওয়েটিং লিস্টেও দুর্নীতি হয়েছে। এমনকি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে দুর্নীতির শিকড়। সোমবার নিয়োগ কলকাতা হাইকোর্টের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এমনটাই চাঞ্চল্যকর দাবি করে বসল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থ্যা সিবিআই। পাল্টা বিচারপতি যুক্তি অপরাধে যুক্ত কাউকেই রেয়াত করা যাবে না।
সুপার নিউমেরিক ভ্যাকেন্সিতে গেজেট মেনে ১:১:৪ অনুপাতে ডেকে নট কল পি টি এদের সুযোগ দিতে হবে। একইসঙ্গে তাঁদের দাবি, সকলের খাতা খতিয়ে দেখুক সিবিআই। তাহলে কারা যোগ্য এবং কারা অযোগ্য ধরা পড়বে। একইসঙ্গে দ্রুত নিয়োগ নিয়ে আদালত যাতে হস্তক্ষেপ করে, সেই দাবিও জানা চাকরি প্রার্থীরা। জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত নিয়োগ করুক সরকার।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রিপোর্ট জমা দিয়েছে সিবিআই। ওএমআর শিট সংক্রান্ত রিপোর্ট দেখে চমকে যান বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেখানে উল্লেখ ছিল, কেউ সাদা খাতা জমা দিয়ে, আবার কেউ দু’-একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে চাকরি পেয়েছেন। গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি মিলিয়ে ৯০০ জনের অধিককে চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নিয়োগ নিয়ে বিরাট পদক্ষেপ কমিশনের।
স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং রাজ্য। যার প্রেক্ষিতে কমিশন ভেঙে দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন বিশ্বজিৎ বসু। শূন্যপদে নিয়োগ নিয়ে বড় পদক্ষেপ, কমিশন কি পদক্ষেপ নিতে চলেছে তা জানতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু একদিনের মধ্যেই ভোলবদল কমিশনের। কমিশনের তরফে শুক্রবার আদালতে জানানো হয়েছে, বেআইনিভাবে যারা চাকরি পেয়েছে, তাঁদের শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে না।
সেই সময় আরও একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেয়েছিল ইডির আধিকারিকরা। যেখানে লেটারপ্যাডে চাকরী প্রার্থীদের সুপারিশ পত্র এবং নামের তালিকা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দিয়েছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারী। এবার সেবিষয়েই মুখ খুললেন প্রাক্তন বিধায়ক। তিনি বলেন, পাঁচ জন করে সমস্ত বিধায়কদের থেকে নাম চেয়েছিল পার্থ।