চাকরি নিয়ে টানাপোড়েন শুরু হতেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ৬১৮ জন চাকরি প্রার্থীরা। বুধবার এসএসসির ত্যরফে তাঁদের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, চাকরি যাওয়া গ্রুপ ডি কর্মীদের বক্তব্য, এতদিন ধরে তাঁরা পরিশ্রম দিয়েছেন, তাই টাকা ফেরত দিতে রাজি নয় তাঁরা।
আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। আদালতের তরফে নির্দেশ দেওয়া হলেও নিয়োগ নিয়ে কি নতুন করে জটিলতা শুরু হবে? সেই প্রশ্নের মধ্যেই মুখ খুললেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর শিক্ষামন্ত্রী জানালেন, ওয়েটিং লিস্টে থাকা অনেকের ওএমআর শিটে গণ্ডগোল রয়েছে।
শুক্রবারেই গ্রুপ ডি পদে ১৯১১ জনের নিয়োগের সুপারিশ বাতিল হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অযোগ্যদের চাকরি বাতিল এবং বেতন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই জায়গায় এবার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এবং যোগ্য চাকরি প্রার্থীদের নিয়োগের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তিন সপ্তাহের মধ্যে আড়াই হাজার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
নবম-দশমের পর এবার গ্রুপ ডি মামলাতেও চাকরি হারাতে চলেছেন প্রায় ৩ হাজার জন। অভিযোগ, মুল্যায়নকারী সংস্থার সঙ্গে সার্ভারে থাকা নম্বরের মিল নেই। এমনটাই আদালতে জানাল কমিশন। আগামীকালের মধ্যেই এই ২৮২০ জনের চাকরি বাতিল। এমনটাই নির্দেশ দিলেন বিচারপতি।
সাত দিনের মধ্যে স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছ থেকে হলফনামা আকারে রিপোর্ট তলব করলেন তিনি। একইসঙ্গে এদিন আদালতের সামনে সিবিআই দাবি করে, গ্রুপ ডি নিয়োগে ৫০ শতাংশ দুর্নীতি হয়েছে। পাশাপাশি এই মামলায় ইডিকেও পার্টি করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
জেলায় জেলায় অজস্র বেআইনি নিয়োগ। গ্রুপ ডি নিয়োগ দুর্নীতিতে রীতিমতো এক জেলা অন্য জেলাকে টক্কর দিয়েছে। আদালতের নির্দেশে এস এস সি গ্রুপ ডি নিয়োগের তদন্তভার নিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাদের তদন্তে উঠে এসেছে ১ হাজার ৬৯৮ জনের নিয়োগের অস্বচ্ছ্বতা। এদিকে এসএসসি-র প্রকাশিত তালিকায় প্রার্থীদের নাম, তাঁরা কোন স্কুলে নিয়োগ পেয়েছেন তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর সেই তালিকা অনুযায়ী কোন জেলায় কত বেআইনি নিয়োগ?