নজরবন্দি ব্যুরোঃ গতকালই গ্রুপ ডি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গতকালই ১৯১১ জনের চাকরি বাতিল করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। এবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার চাঞ্চল্যকর দাবি করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআই সূত্রে খবর, মেধাতালিকার প্রথম ১০ জন ফাঁকা ওএমআর শিট জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু সার্ভারে তাঁদের নম্বর বেড়ে গেছে। চাকরি বাতিল হওয়া প্রথম দশজনের ভুয়ো নিয়োগ নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
আরও পড়ুনঃ Rail Roko: রাজ্যজুড়ে রেল অবরোধে আদিবাসী সমাজ, বাতিল বহু ট্রেন


সিবিআইয়ের তরফে আদালতের কাছে গ্রুপ ডি মামলার তদন্তে যে রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে, তা দেখে চোখ কপালে উঠেছে। সেখানে দেখা গেছে মেধাতালিকার প্রথম দশজনেরই প্রাপ্ত নম্বর রয়েছে শূন্য। অর্থাৎ, যাদের নাম মেধাতালিকার বাইরে থাকার কথা, তাঁরাই দুর্নীতি করে মেধাতালিকার শীর্ষস্থানে জায়গা পেয়েছেন।

এর আগে সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, গাজিয়াবাদে ওএমআর শিট মূল্যাইয়নকারী সংস্থার অফিস থেকে হার্ডডিস্ক উদ্ধার হয়েছে। সেখান থেকেই যে তথ্য উঠে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে সাদা খাতা জমা দিয়েছেন তিনি। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, মেধা তালিকায় প্রথম দশে থাকা প্রার্থীরা রোল নম্বর, ভেন্যু কোড এবং বুকলেট সিরিয়াল ছাড়া ওএমআর শিটের আর কোথাও কালির আঁচড়টুকুও কাটতে পারেনি! উত্তর দেওয়ার অংশ পুরোটাই ফাঁকা!
সিবিআইয়ের তরফে দাবি করা হচ্ছে, আসলে এই সমস্ত চাকরি প্রার্থীরা শূন্য পেয়েছেন। যা পরে এসএসসির সার্ভারে বেড়ে হয়েছে ৪৩। শুধুমাত্র তাই-ই নয়, ২০১৬ সালে গ্রুপ ডি পদে মোট ৪৪৮৭ জনকে নিয়োগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮২৩ জনের নম্বর পরিবর্তন করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে প্যানেলে নাম ছিল ১৬৯৮ জনের।


চাকরি বাতিল হওয়া প্রথম দশজনেরই ভুয়ো নিয়োগ, কী রিপোর্ট জমা দিল সিবিআই?

শুক্রবার আদালতের তরফে ১৯১১ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের এবং প্রয়োজনের হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। চাকরি বাতিল হওয়া ১৯১১ জনের মধ্যে এই দশজনের প্রথমেই নাম রয়েছে বলে দাবি করছে সিবিআই।







