নজরবন্দি ব্যুরো: সোমবার দুপুরে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে ডিওয়াইএফআই-এর কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিলে, পরিস্থিতি তপ্ত হয়ে উঠতে শুরু করে। এদিন বাম যুব কর্মীদের মিছিল বহরমপুরের টেক্সটাইল মোড়ের কাছাকাছি পৌঁছাতেই সেখানে পুলিশ বাধা দেয়। ব্যারিকেড দিয়ে পথ আটকে দেয় পুলিশ।
আরও পড়ুন: বাংলায় কমপক্ষে ৫০ টি ব্রিজ ভাঙার মুখে, বিস্ফোরক দাবি সুকান্তের


সেই ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করেন বাম যুব কর্মীদের একাংশ। পরে তাঁরা অবস্থান বিক্ষোভ করেন। তাঁদের বক্তব্য যতক্ষণ না এসপি অফিসে যেতে দেওয়া হচ্ছে ততক্ষণ অবস্থান বিক্ষোভ চলবে। রাজ্য DYFI-র সভাপতি ধ্রুবজ্যোতি সাহা বলেন, মৃত আব্দুর রহমানের খুনীরা যতক্ষণ না শাস্তি পাবেন শুধু মুর্শিদাবাদ নয় রাজ্যজুড়ে আন্দোলন চলবে। একের পর এক আত্মহত্যার খবর সামনে আসছে। এই আত্মহত্যার দায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নিতে হবে। অবিলম্বে মুখ্যমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে।

উল্লেখ্য, ওই একই দাবিতে শনিবার মুর্শিদাবাদের লালগোলা থানা অভিযান করেন বাম ছাত্র-যুবরা। সেইদিনও ব্যাপক বচসা বাধে পুলিশের সাথে। তাঁরা নিজেদের দাবিতে অনড়। আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন তাঁরা।
প্রসঙ্গত, টাকা দিয়ে চাকরি না পাওয়ার কারণে আত্মঘাতি হন প্রতারিত চাকরি প্রার্থী আব্দুর রহমান। প্রথমে কোনও ময়নাতদন্ত ছাড়াই দেহ কবরস্থ করেন পরিবারের লোকজন। কিন্তু পর দিন উদ্ধার হয় একটি সুইসাইড নোট। ঘটনার পরেই আব্দুরের বাড়িতে উপস্থিত হন ডিওয়াইএফআই নেতৃত্ব। পরে সেই ঘটনায় দিবাকর কনুই নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে ১৪ দিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।


ডিওয়াইএফআই মিছিল ঘিরে বহরমপুরে উত্তেজনা, বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষে জোর সাওয়াল

আব্দুরের পরিবারের দাবি, স্কুল সার্ভিস কমিশনের গ্রুপ ডি পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্য দিবাকর কনুইকে সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দিবাকর তাঁকে প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দুই তরফের পরিচিত রেহেশান শেখের মাধ্যমে মোটা টাকা নিয়েছিল। হয়নি চাকরি, মেলেনি টাকা। তাই আত্মহত্যা করে ওই যুবক।







