মঙ্গলবার সকাল থেকে ধূপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয় গিয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে কড়া নজরদারিতে ভোটদান চলছে। তবে একটি আসন হলেও ভোটের শুরু থেকেই নানা অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের কাছে একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
এক প্রহর বাকি। তারপর ‘আবার’ নিজেদের বিধানসভার দায়িত্ব কাকে দেওয়া যায় সেই ভেবে রায় দেবেন ধূপগুড়ির প্রায় দু’লক্ষ ষাট হাজার ‘শ্রোতাবন্ধুগণ’। ‘আবার’ কেন? ওয়াকিবহালরা অবশ্যই জানেন, বিধানসভা ভোট একুশে হয়ে গ্যাছে। সেখানে ধূপগুড়ি জিতেছিল বিজেপি। বিজেপির বিষ্ণুপদ রায়। তিনি মারা যাওয়াতেই তথাকথিত বা প্রয়োজনীয় উপনির্বাচনের প্রয়োজন। মূল লড়াইয়ে তিন জন। জেতাটা গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যেকের। অন্তত দলের স্বার্থে। এবারের ধূপগুড়ি আসন কার জানা যাবে শুক্রতে। তার আগে পরিস্থিতি নিয়ে দু’চার কথা...
রাত পোহালেই রাজ্যের একটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। আজ অর্থাৎ সোমবার চূড়ান্ত মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। ভোটকর্মীদের মধ্যে ব্যস্ততা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কেবল একটি কেন্দ্রে ভোট হলেও রাজনৈতিক দলগুলি আসন দখল করতে মরিয়া।
"বিজেপির প্রতি আমার কোনও টান নেই, কাজ করতেই দলে যোগ দিয়েছি।" বিজেপিতে যোগ দিয়েই তৃণমূলের প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দিলেন প্রাক্তন বিধায়িকা মিতালি রায়। আর প্রাক্তন বিধায়িকার এহেন মন্তব্যে ইতিমধ্যেই রাজ্য-রাজনীতিতে শোরগোল ছড়িয়ে পড়েছে।
উপনির্বাচনের আগেই জোর ধাক্কা তৃণমূলের! রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের হাত ধরে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন ধূপগুড়ি প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক মিতালী রায়।
আগামী ৪ মাসের মধ্যে ধূপগুড়িকে আলাদা করে মহকুমা হিসাবে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়ে দিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন ধরেই দাবি ছিল, ধূপগুড়িকে আলাদা মহকুমা করার। এবার সেই দাবিপূরণের আশ্বাস দিলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।
ধূপগুড়ি উপনির্বাচনের সময় আসন্ন। শনিবারই প্রচারের শেষ দিন। তার আগে কিন্তু প্রচারে কোনও রকম খামতি নেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের। শুক্রবার ধূপগুড়ি বিধানসভার সাকোয়াজোড়া ২নং গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ গোসাইরহাট গ্রামে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ করলেন বালুরঘাটের সাংসদ।