নজরবন্দি ব্যুরো: রাত পোহালেই রাজ্যের একটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। আজ অর্থাৎ সোমবার চূড়ান্ত মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। ভোটকর্মীদের মধ্যে ব্যস্ততা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কেবল একটি কেন্দ্রে ভোট হলেও রাজনৈতিক দলগুলি আসন দখল করতে মরিয়া। শাসক হোক কিংবা বিরোধী কেউই প্রচারে কমতি রাখেনি। তবে সাধারণ মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে কোন দলকে জয়ী করে, সেদিকেই নজর থাকবে।
আরও পড়ুন: কোন মণ্ডপে ভিড়, কোথায় কত লাইন, ঠাকুর দেখা হবে এবার সহজ, চালু হচ্ছে অ্যাপ


মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) ধূপগুড়ি বিধানসভার ২৬০ টি বুথে ভোট হবে। সকাল থেকেই শুরু হয়ে যাবে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। ভোট প্রার্থীর সংখ্যা ৭ জন হলেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূল, বিজেপি এবং কংগ্রেস সমর্থিত বাম প্রার্থীর মধ্যে টক্করের লড়াই হতে পারে। ইতিমধ্যেই ভোট কর্মীরা তালিকা দেখে নিজ নিজ বুথে পৌঁছে যাচ্ছেন। ২৬০ টি বুথের মধ্যে স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা ৭২ এবং অতি স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা ৩৭। প্রতিটি বুথেই ক্যামেরা ও ওয়েবকাস্টিং থাকছে। আগামীকাল ভোটদানে অংশ নেবেন আড়াই লক্ষেরও বেশি ভোটার।

গত জুলাই মাসে প্রয়াত হন বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপদ রায়। তাঁর প্রয়াণে খালি হওয়া আসনেই ভোট হবে। একটি আসন হলেও হাল ছাড়তে নারাজ তৃণমূল। লোকসভা নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গের এই কেন্দ্রে ক্ষমতা দখল করতে চায় শাসক দল, অন্যদিকে বিজেপি আসন ধরে রাখতে মরিয়া। এই আসনে তৃণমূল প্রার্থী করেছে অধ্যাপক নির্মল চন্দ্র রায়কে। শহীদ জওয়ান জগন্নাথ রায়ের স্ত্রী তাপসী রায়কে প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির। এছাড়া কংগ্রেস সমরথিত বাম প্রার্থী হিসেবে লড়াই করবেন পেশায় শিক্ষক ঈশ্বরচন্দ্র রায়।



ধূপগুড়ি উপনির্বাচন উপলক্ষে ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যে যে রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, সেই দৃশ্য মনে রেখে এখনও আতঙ্কে বহু ভোটকর্মী। পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট দিতে গিয়েছিলেন এবং এবারের উপনির্বাচনে ভোট দিতে যাবেন সেই সমস্ত ভোটারদের মধ্যেও আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট।
রাত পোহালেই রাজ্যে উপনির্বাচন, চলছে চূড়ান্ত মুহূর্তের প্রস্ততি








