দিন দিন বাড়ছে রাজ্যে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা এবং তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। কিছুদিন আগেই মারা গিয়েছিল এক ১৭ বছরের কিশোর। এবার ডেঙ্গুর বলি হল বছর কুড়ির যুবতী।
কলকাতা সহ বাকি জেলাগুলিতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। গত বৃহস্পতিবার ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে প্রান হারিয়েছে ১৭ বছরের এক কিশোর। এমন অবস্থায় কলকাতাসহ বেশ কিছু জেলাকে ডেঙ্গুর হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হল। দেখে নিন সেই তালিকা। এনটোমোলজিক্যাল সার্ভের ভিত্তিতে এই সমস্ত এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে রেড অ্যালার্ট।
পুজো আর বেশিদিন বাকি নেই, তবে পুজোর আনন্দের মাঝেই ডেঙ্গুর মশা নিয়ে বাড়ছে চিন্তার ভাজ। একের পর এক ডেঙ্গু রুগীর সংখ্যা বাড়ছে। সামনে আসছে একের পর এক মৃত্যুর খবর। এবার এই পুজোর মরশুমে ডেঙ্গুর পরিবেশের মধ্যেই কাউন্সিলরের অভিনব ভাবনা। মা নিজের হাতে সকলের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ছড়িয়ে দিচ্ছেন ব্লিচিং এবং মশা মারার তেল।
ক্রমশ বাড়ছে ডেঙ্গুর চোখ রাঙানি। রীতিমত উদ্বেগজনক পরিস্থিতি রাজ্যের। আর রাজ্যের এই পরিস্থিতির জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী। ইতিমধ্যেই গোটা বাংলা জুড়ে ১৬টি এলাকাকে 'অতি বিপজ্জনক' বলে ঘোষণা করেছে কলকাতা পুরসভা। তবে ডেঙ্গুর দাপট কমাতে ইতিমধ্যেই তৎপরতা গ্রহণ করেছে কলকাতা পুরসভা। শুধু তাই নয়, পুরসভার পক্ষ থেকে একাধিক নির্দেশ জারি করে হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হচ্ছে।
বিগত কিছু সময়ের মধ্যেই বাংলায় চরম উদ্বেগ বাড়িয়েছে ডেঙ্গু। বর্ষার কারণে বিভিন্ন এলাকায় জল জমে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে আশঙ্কা জরুরী ব্যবস্থা না নিলে পুজোর আগে ভয়ানক রূপ নিতে পারে মশাবাহিত এই রোগ।
মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে। প্রশাসন বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন, যদিও সংক্রমণ ঠেকানো যাচ্ছে না। এরইমধ্যেই এক সুখবর এল। দেশে শীঘ্রই ডেঙ্গু ভ্যাকসিন আসছে। আতঙ্ক মোকাবিলায় বড় উদ্যোগ স্বাস্থ্যমন্ত্রকের।