রাজ্যজুড়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট। জেলায় জেলায় সংক্রমণ বেড়েই চলছে। ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধিতে টানা বৃষ্টিকেই দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে আগামী নভেম্বরের মধ্যে এই ডেঙ্গুর দাপট কমতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। অর্থাৎ টানা বৃষ্টি না হলেই রাজ্য থেকে বিদায় নেবে ডেঙ্গু।
ভারতীয় ব্যাটিং লাইন আপের মধ্যে হেভিওয়েটদের ভিড় থাকলেও 'প্রিন্স' শুভমন গিলের জুড়ি মেলা ভার। বিশ্বকাপের আগে তুখোড় ফর্মে থাকা সেই গিলই আক্রান্ত হলেন ডেঙ্গিতে। প্রথম দু'টি ম্যাচ খেলতে পারলেন না। তবে, এই মুহূর্তে বিরাট খুশির খবর ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য। ডেঙ্গি কাটিয়ে আহমেদাবাদ পৌঁছেই অনুশীলনে নেমে পড়লেন শুভমন গিল! অর্থাৎ, শনিবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তাঁকে দেখা গেলেও যেতে পারে।
রাজ্যে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। প্রশাসনের তরফে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও মশাবাহিত এই মারণ রোগ নিয়ন্ত্রণে আসছে না। এদিকে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। মাত্র ৭ দিনেই আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দশ হাজারের গণ্ডি।
রাজ্যে দাপিয়ে দাপিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। প্রতিনিয়তই বলি হতে হচ্ছে সমস্ত সাধারন মানুষদের। এবার ফের কলকাতায় মৃত্যু হল আরও চারজনের। যা নিয়ে বেশ ভয়ের সৃষ্টি হয়েছে সকলের মনে। গত কিছুদিন আগে ১৭ বছরের এক কিশোরের ডেঙ্গুতে বলি হওয়ার খবরও সামনে এসেছিল। কিন্তু এত এত মানুষের প্রান যাওয়ার পরেও হুঁশ ফিরছেনা প্রশাসনের।
পশ্চিমবঙ্গে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে ডেঙ্গু। কলকাতার পাশাপাশি জেলাগুলিতেও সংক্রমণের হার বাড়ছে। এপার বাংলার মত ওপার বাংলাতেও ডেঙ্গুর পরিস্থিতি কার্যত একই। কোনওভাবেই ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।
কয়েকদিন আগেই মৃত্যু এক ২০ বছরের তরুণী প্রাণ হারিয়েছে। মঙ্গলবার মৃত্যু হয়েছে আরও একজনের। এই অবস্থায় ডেঙ্গু সংক্রমণ ও মৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে উচ্চ আদালতে দায়ের হল জনস্বার্থ মামলা।