মাথায় রাখতে হবে ডেঙ্গু জ্বর ছোঁয়াচে নয়। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীকে স্পর্শ করলে, একই বিছানায় ঘুমালে কিংবা তার ব্যবহৃত কিছু ব্যবহার করলে। অন্য কারো এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এই রোগ শুধুমাত্র মশার মাধ্যমেই ছড়ায়।
জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত সবথেকে বেশি আক্রান্ত মালদহে, ৩১৩ জন। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগণা, সেই জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩০৫ জন। তিনে, মুর্শিদাবাদ। মোট আক্রান্ত ২৫৭ জন। চারে, হুগলি। সেখানে ১৯৯ জন এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গিতে আক্ক্রান্ত হয়েছেন। পঞ্চম স্থানে কলকাতা, আক্রান্তের সংখ্যা ১৯২ জন।
মাথায় রাখতে হবে ডেঙ্গু জ্বর ছোঁয়াচে নয়। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীকে স্পর্শ করলে, একই বিছানায় ঘুমালে কিংবা তার ব্যবহৃত কিছু ব্যবহার করলে। অন্য কারো এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এই রোগ শুধুমাত্র মশার মাধ্যমেই ছড়ায়।
ভাইরাস শ্বেত রক্ত কোষে প্রবেশ করে এবং পুনরুৎপাদন করে। ডেঙ্গি আপনার রক্ত প্রবাহে প্লেটলেটের সংখ্যা কমে যায়। রক্তে অণুচক্রিকার বা প্লেটলেটের সংখ্যা সাধারণ অবস্থায় থাকে ১,৫০,০০০ থেকে ২,৫০,০০০ প্রতিমিলি.। তবে ডেঙ্গি জ্বরে আক্রান্ত হলে তা দ্রুত কমে যায়।
বিগত ৭ দিনে গোটা বাংলা জুড়ে আক্রান্ত হলেন ১২৯ জন। ডেঙ্গিতে শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগণা জেলা। স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত রাজ্যে ১ হাজার ৩২৮ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন।
গত কয়েকমাস ধরে ডেঙ্গুর জেরে নাজেহাল রাজ্যবাসী। পাল্লা দিয়ে বাড়ছিল আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা। তবে গত কয়েকদিনে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। ডেঙ্গু রুগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। তবে ডেঙ্গুকে এখনই দুর্বল ভাবার কোন কারণ নেই। ডেঙ্গুর এখনও প্রাণঘাত করার ক্ষমতা রয়েছে। তাই আগে থেকে সতর্ক হওয়ার জন্য তৈরি হল নতুন কিট।
ডেঙ্গু রোগীকে অহেতুক প্লেটলেট দেওয়ার কারণেই অসংখ্য রোগীর প্রাণসংশয় হচ্ছে। অধিকাংশ রোগীদের একটা বড় অংশে ফুস্ফুসে জল জমে, হার্ট ফেলিওর হয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন। এই ঘটনাগুলি বেশিরভাগ বেসরকারি হাসপাতালে হচ্ছে বলেই ধারণা স্বাস্থ্যভবনের।