নজরবন্দি ব্যুরো: রাজ্যে উদ্বেগ জারি রেখেছে ডেঙ্গু। পুজোর আগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তৎপর প্রশাসন। ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে নবান্ন (Nabanna)। সেই বৈঠকেই চারটি বিষয় উঠে এসেছে যা নিয়ে কপালে চিন্তার ভাঁজ বাড়ছে। এরপরই মশাবাহিত এই রোগ প্রতিরোধে ৯ টি পদক্ষেপ গ্রহণ করল নবান্ন (Nabanna)।
আরও পড়ুন: দিল্লিতে অভিষেককে প্রাণে মারার চেষ্টা হয়েছে? চাঞ্চল্যকর অভিযোগ বর্ষীয়ান সাংসদের
নবান্নে স্বাস্থ্যকর্তাদের বৈঠকে যে চারটে উদ্বেগজনক বিষয় উঠে এসেছে সেগুলি হল- এক, বিপদ সঙ্কেত পেয়েও রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি না করা। দুই, ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৪৬ হাজারের বেশি, মৃত ৫০ ছুঁই ছুঁই, তবুও হুঁশ ফিরছে না সাধারণ মানুষের। তিন, ডেঙ্গু সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বমুখী, সাড়ে চার শতাংশের বেশি সংক্রমণের হাত ধরে বাড়ছে হাসপাতালে ডেঙ্গি রোগীর সংখ্যা। চার, নতুন নতুন জায়গায় সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। সাফাইয়ের পরিকাঠামোবিহীন গ্রামেও হানাদারি এডিস ইজিপ্টাইয়ের। বৈঠকের পরই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ঠেকাতে এমআর বাঙুরের চিকিৎসায় নজরদারি বাড়িয়েছে নবান্ন। ১২৭ টি পুরসভার মধ্যে ৫৫ টি পুরসভায় ডেঙ্গুর প্রকোপ ভয়াবহ। এই সব জায়গায় এজেন্সি দিয়ে জঞ্জাল সাফাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েত, ব্লক স্তরে জঞ্জাল সাফাইয়ের পরিকাঠামো নির্মাণ করতে বলা হয়েছে। ভেক্টর কন্ট্রোলে যুক্ত ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বের ব্যক্তিদের সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুরসভাগুলিকে।

আগামী মাসেও ডেঙ্গুর আতঙ্ক বজায় থাকবে বলে আশঙ্কা স্বাস্থ্যবিদদের। তাই ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু সচেতনতা প্রচারে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, অ্যাসোসিয়েশন, বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে বৈঠক করবেন। ৩ থেকে ১০ অক্টোবরের মধ্যে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রতিটি পুজো কমিটির সঙ্গে বৈঠক করা হবে। এমনকি করোনা মহামারির সময়ের মতই ডেঙ্গু প্রতিরোধে কল সেন্টার চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন।
Dengue রোধে নবান্নের ৯ দাওয়াই, স্বাস্থ্য দফতরের বৈঠকে উঠে এল একাধিক উদ্বেগের বিষয়




