সামনেই পুজো, শহর তথা রাজ্যে ভিড় বাড়বে মানুষের। এই অবস্থায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আনতে তৎপর কলকাতা পুরসভা। পুজোয় বাতিল হল স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি। পাশাপাশি পুজো কমিটিগুলিকেও একটি পুরসভার তরফে নোটিস পাঠানো হয়েছে।
বাংলায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট। পরিস্থিতি রীতিমত উদ্বেগজনক। ইতিমধ্যেই বাংলার সাত জেলার রিপোর্টে উদ্বিগ্ন নবান্ন। আর ওই তালিকার রয়েছে ত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদহ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার নাম। যা রীতিমত চিন্তায় ফেলেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং দ্রুত যাতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যায় তা নিয়েও বার্তা দেওয়া হয়। চলতি সপ্তাহেই হু-এর ডিরেক্টর জেনারেল টেডরোজ আধানম ঘেব্রিয়েসুস সাংবাদিক সম্মেলন করে উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। এরইমধ্যে বাংলাদেশের জন্য ২০ কোটি ডলার ঋণ বরাদ্দ করল বিশ্ব ব্যাঙ্ক।
গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত এই রোগে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরফলে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৮৭। পরিস্থিতি এভাবে হাতের বাইরে চলে যাওয়ায় এবার উদ্বেগ প্রকাশ করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
রাজ্যে ডেঙ্গু সংক্রমণ লাগামছাড়া। এবার কলকাতা পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বচ্ছতা অভিযান চালাল বিজেপি। নেতৃত্বে ছিলেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রবিবাসরীয় কলকাতায় এদিন নিজের হাতে ব্লিচিং ছড়ান বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ। পাশাপাশি, কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে তীব্র ভাষায় কটাক্ষ করেন সুকান্ত।
গত এক মাসে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় পঞ্চান্নজন। এমতাবস্থায় ডেঙ্গু নিয়ে বুধবার কলকাতা পুরসভায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে হাজির ছিলেন পুরসভার ১৬টি বরোর চেয়ারম্যান।
রাজ্যজুড়ে ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে ডেঙ্গু পরিস্থিতি। শহর থেকে জেলা, বিভিন্ন জায়গায় যেমন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা তেমনই বেড়ে চলেছে মৃতের সংখ্যাও। এই মশাবাহিত রোগে প্রাণ গেল এক শিশুর। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিল। চিকিৎসা চলাকালীন সেখানেই মৃত্যু হয় তার।