আজ রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে রাজ্যপালের আলোচনায় অধীর চৌধুরীর সেই চিঠির প্রসঙ্গও উঠে আসতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। প্রায় ৪৫ মিনিট রাজভবনে ছিলেন রাজীব সিনহা। আড়াইটে নাগাদ গাড়িতে চেপে রাজভবন থেকে বেরিয়ে যান তিনি।
একবার রাজ্য ও রাজ্যপাল সংঘাত শুরুর পথে? রাজ্য সরকার সূত্রে খবর, নির্বাচন কমিশনারের নাম ঠিক করে রাজ্য। সেখানে রাজ্যপালের পছন্দ থাকে না। রাজ্যপাল শুধু রাজ্যের প্রস্তাবিত নামে স্বাক্ষর করেন।
ক্যাম্পাসের বাইরে নিজের বাড়ি কেনার জন্য টাকা নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ড থেকে। এমনকি রেজিস্ট্রারের অফিসের শৌচালয়ে কোনও কাজ না হওয়া সত্ত্বেও, সংস্কারের নামে ২ লক্ষ টাকা ভুয়ো বিল দেখানো হয়েছে।
রাজ্যপালের চেয়ারটা সম্মানের চেয়ার। কিন্তু দফতর চালায় শিক্ষা দফতর। এমনকি আমিও কখনও এবিষয়ে হস্তক্ষেপ করি না। কিন্তু একথা আমিও বলতে পারি না যে আমার কথা না শুনলে পদক্ষেপ নেব। আমাদের সকলের মনে রাখা দরকার আমাদের সকলের একটা লিমিটেশন রয়েছে। এখন ৪২ টা বিশ্ববিদ্যালয় চলছে। সেই প্রথা মেনে এখনও তিনি আচার্য পদে রয়েছেন। সেটা চলতে পারে না।
চৈত্র সংক্রান্তিতে হঠাৎ বেলুড় মঠে উপস্থিত হলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। শুক্রবার কলস ভরা গঙ্গাজল তুলে দিলেন কোচির রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজদের হাতে। রাজ্যপালের এই ঝটিকা সফরে খুশি হয়েছেন মহারাজরাও। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবীরানন্দ মহারাজ বলেন, সারাদিন ঠাসা কর্মসূচি রাজ্যপালের। তার মধ্যে থেকেও আধঘণ্টা বের করে উনি এসেছেন।
বিগত দিনে ঘটনাবলী থেকে শিক্ষা নিয়ে রাজ্যের তরফে একাধিক জেলায় কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়। শহরজুড়ে তাপপ্রবাহের পাশাপাশি চলছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহলদারি। সম্প্রীতির বার্তা দিতে রাস্তায় নামলেন রাজ্যপাল। প্রথমে গেলেন লেক টাউনে হনুমান মন্দিরে। সেখানে পুজো দেওয়ার পর সোজা যান একবালপুরে সাধারণের সঙ্গে আড্ডায় পান করলেন শরবত। কথা বললেন স্থানীয় বিক্রেতাদের সঙ্গেও। জানালেন, বেঙ্গল উইল মেক এ নিউ ট্রেন্ড।