রিষড়ার ঘটনার পরেই মঙ্গলবার সকাল থেকেই রিষড়া গিয়ে সেখানে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এমনকি রিষড়ার ঘটনা নিয়ে কড়া মন্তব্য করতে দেখা যায় তাঁকে। তবুও রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে সন্তুষ্ট নন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। জগদীপ ধনকড়ের মতো ভূমিকা দেখাতে পারেননি রাজ্যপাল। এমনটাই মন্তব্য করলেন বিজেপি বিধায়ক।
রাজ্যপাল রিষড়া থেকে বেরিয়ে আসার পরেই সরব হয়ে সৌগত রায় বলেন, উনি রিষড়ায় গিয়েছিলেন সেটা খুব ভালো ব্যাপার। আমরা প্রশংসা করছি। উনি যেভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলছেন, তা ইতিবাচক। কিন্তু রাজ্যপালের জানা উচিত গোটা ঘটনার সূত্রপাত দিলীপ ঘোষ যাওয়ার পরেই।
বৃহস্পতিবারের পর শনিবার সকাল থেকে স্বাভাবিক হয়েছে হাওড়ার শিবপুরের পরিস্থিতি। রাজভবনে বিশেষ সেল তৈরি করে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। শনিবার বাগডোগরা যাওয়ার আগে এমনটাই জানালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তিনি জানিয়েছেন, পরিস্থিতির দিকে পুলিশ নজর রাখছে। রাজভবনেও আলাদা সেল তৈরি করা হয়েছে। প্রতি মুহূর্তে নজরদারি চালানো হচ্ছে। এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে সব রকম পদক্ষেপ করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি পদে শপথ নেওয়ার পর এই প্রথমবার বঙ্গ সফরে উপস্থিত হয়েছেন দ্রৌপদী মুর্মু। সোমবার সকালেই কলকাতা বিমানবন্দরে উপস্থিত হন তিনি। রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শিক্ষামন্ত্রী রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকের পর জানিয়েছিলেন, রাজ্য ও রাজভবন চাইছে একসঙ্গে কাজ করতে। শাহি সাক্ষাতের পর মত বদল করবেন রাজ্যপাল? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলের।
সিভি আনন্দ বোসকে সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। সেখানেও দেখা যাচ্ছে শাসক শিবিরের পাল্লাভারী। রাজ্যপালের বাংলায় হাতেখড়ির পাশাপাশি রাজ্য বিজেপির ভাবনা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ থেকে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে। রাজ্যপালের কর্মপদ্ধতি বিস্ময়কর! বলে দাবি করেছে বিজেপি।