নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যপাল পদে জগদীপ ধনকড় থাকার কারণে অনেকটাই কাজ সহজ হয়েছিল গেরুয়া শিবিরের। তারপর অস্থায়ী পদে লা গণেশন এসেছেন। তখন থেকেই রাজভবনের সঙ্গে সম্পর্কে খানিকটা চিড় ধরেছে মুরলীধর সেন লেনের নেতাদের। পরে সিভি আনন্দ বোসকে সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। সেখানেও দেখা যাচ্ছে শাসক শিবিরের পাল্লাভারী। রাজ্যপালের বাংলায় হাতেখড়ির পাশাপাশি রাজ্য বিজেপির ভাবনা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ থেকে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে। রাজ্যপালের কর্মপদ্ধতি বিস্ময়কর! বলে দাবি করেছে বিজেপি।
আরও পড়ুনঃ Mamata Banerjee: দুই বাড়িয়েছে, আড়াই কেটেছে, কেন্দ্রের কর ছাড় নিয়ে আক্রমণে মমতা
সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পশ্চিমবঙ্গ শাখার তরফে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে দিল্লিতে। রিপোর্টে রাজ্যপাল প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির কী মন্তব্য? তা জানানো হয়েছে। বোস যে ধনকড়ের মতো নয়, তা প্রকাশ করেছেন রাজ্য বিজেপির একাংশ। আবার কিছু নেতা রাজ্যপালকে নিয়ে ক্ষোভের কথা জানিয়েছেন দিল্লির নেতাদেরও।

গত বছর রাজ্যপাল পদে সিভি আনন্দ বোস শপথ নিয়েছিলেন। এরপর থেকেই রাজ্যের শাসক শিবিরের সখ্যতা নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে রাজভবনে রাজ্যপালের হাতেখড়ি অনুষ্ঠান। যেখানে উপস্থিত ছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি রাজ্যপালের ভূয়সী প্রশংসা করতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকেও। সেই অনুষ্ঠানের পরেই দিল্লি সফরে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল। রাজ্যপালের সেই সফর আসলে শাহের তলব বলা হলেও দুই পক্ষ মুখোমুখি হয়নি।
রাজ্যপালের কর্মপদ্ধতি বিস্ময়কর, রিপোর্ট গেল দিল্লিতে

পরে রাজ্য বিজেপি এবং রাজ্যপালের টানাপোড়েন নিয়ে রিপোর্ট দেওয়া হয়। ধনকড়ের উত্তসুরী হিসেবে অনেকেই চেয়েছিলেন রাজ্যপাল নবান্ন এবং শাসক শিবিরকে চাপে রাখুক। কিন্তু তা হয়নি। তাই এখন রিপোর্ট জমা পরতেই তোলপাড়। যদিও এবিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানানো হয়নি। তবে চলতি মাসেই অমিত শাহের বঙ্গ সফরের আগে এই রিপোর্ট অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।



