নজরবন্দি ব্যুরোঃ রিষড়ার ঘটনার পরেই মঙ্গলবার সকাল থেকেই রিষড়া গিয়ে সেখানে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এমনকি রিষড়ার ঘটনা নিয়ে কড়া মন্তব্য করতে দেখা যায় তাঁকে। তবুও রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে সন্তুষ্ট নন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। জগদীপ ধনকড়ের মতো ভূমিকা দেখাতে পারেননি রাজ্যপাল। এমনটাই মন্তব্য করলেন বিজেপি বিধায়ক।
আরও পড়ুনঃ Mamata Banerjee: ‘এক বছর টিম টিম করে জ্বলবি’, দিঘায় গিয়ে কেন্দ্রকে তোপ মুখ্যমন্ত্রীর


রিষড়ার ঘটনা প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্যপাল মহোদয় গোপালকৃষ্ণ গান্ধী বা জগদীপ ধনকড়ের মতো ভূমিকা এখনও দেখাতে পারেননি। এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। আমি আগেও বলেছি, এখনও তাতে অনড় রয়েছি। এরপর তিনি বলেন, আমি চাই রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসাবে রাজ্যপাল তাঁর সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগ করুন। এই রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট না চেয়ে কেন্দ্রীয় সরকাকে বলুন শিবপুর ও রিষড়া থানা এলাকাকে উপদ্রুত ঘোষণা করে ৩৫৫ ধারা জারি করতে।

রাজ্যপাল পদে জগদীপ ধনকড় শপথ নেওয়ার পরেই রাজ্য বনাম রাজ্যপালের অধ্যায় ছিল বঙ্গ রাজনীতির সবচেয়ে চর্চিত বিষয়। রাজ্যপাল পদে থেকে জগদীপ ধনকড় বিজেপির পালে হাওয়া দিয়েছেন এমনটাও মন্তব্য করতে শোনা গেছে তৃণমূলের নেতাদের। কিন্তু সিভি আনন্দ বোসের ভুমিকায় মোটেই সন্তুষ্ট নন বিজেপি নেতারা। তাঁদের বক্তব্য, এখনও সেভাবে কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি এই রাজ্যপালকে।
কিন্তু মঙ্গলবার সকালেই রিষড়ায় উপস্থিত হন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সেখানে গিয়ে প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে কথা বলে খোঁজ নেন তিনি। একইসঙ্গে এসএসকেএম হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গেও কথা বলেন। পরে বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্যপাল। তার পরেও রাজ্যপালকে নিয়ে বিরোধী দলনেতার প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে সাড়া ফেলে দিয়েছে।


জগদীপ ধনকড়ের মতো ভূমিকা দেখাতে পারেননি রাজ্যপাল, সমালোচনায় শুভেন্দু

একইসঙ্গে দাঙ্গার ঘটনা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর কথায়, রাম নবমীর মিছিলে আমি কলকাতার এন্টালি এলাকা দিয়ে গিয়েছিলাম। সেখানে ৬০ শতাংশ মুসলিম। তারা এগিয়ে এসে আমার হাত ধরেছিলেন। এটা মুসলিমদের কাজ নয়। এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তৃণমূল নেতাদের একাংশ করছে। দাঙ্গার আসল কালপ্রিট উনি।







