ভোটের ফল ঘোষণার পরদিনই কালীঘাটে পৌঁছে গেলেন রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। ধুতি-পাঞ্জাবিতে বাঙালি সাজে সস্ত্রীক উপস্থিত হয়ে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিলেন রাজ্যের নবনিযুক্ত রাজ্যপাল। রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে তাঁর এই সফর ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয়েছে বিশেষ তাৎপর্য।
সকাল সকাল কালীঘাট মন্দির-এ পৌঁছে যান রাজ্যপাল। সাধারণ ভক্তদের মতোই তিনি মায়ের আরাধনা করেন। এদিন তাঁকে দেখা যায় একেবারে বাঙালি ঐতিহ্যবাহী পোশাকে—ধুতি ও পাঞ্জাবিতে, যা অনেকের নজর কেড়েছে।
তবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেও রাজনৈতিক প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়েছেন রাজ্যপাল। ভোটের ফলাফল বা নতুন সরকার প্রসঙ্গে কিছু বলতে চাননি তিনি। স্পষ্ট ভাষায় জানান, “আমি এখানে রাজনীতি করতে আসিনি, মায়ের পুজো দিতেই এসেছি।”
উল্লেখযোগ্যভাবে, এটাই প্রথম নয়। এর আগেও পয়লা বৈশাখ-এর দিন কালীঘাটে পুজো দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। বাঙালির নববর্ষের আবেগকে সম্মান জানিয়ে সেদিনও সস্ত্রীক মন্দিরে হাজির হয়েছিলেন তিনি।
ফলে ভোট-পরবর্তী প্রথম সকালেই আবার কালীঘাটে তাঁর উপস্থিতি নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অনেকেই মনে করছেন, এই সফরের মধ্যে প্রতীকী বার্তা থাকতে পারে, যদিও রাজ্যপাল নিজে সে বিষয়ে সম্পূর্ণ নীরব থেকেছেন।











