নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের কার্যকলাপ নিয়ে মোটেই সন্তুষ্ট নয় গেরুয়া শিবির। বারবার শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন মুরলীধর সেন লেনের নেতারা। সোমবার আরও একবার রাজ্যপালের মুখে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা শুনে বেজায় চটলেন বিজেপি নেতারা। সেই মঞ্চেই মুখ্যমন্ত্রীকে সাংবিধানিক বন্ধু বললেন রাজ্যপাল। মুখ্যমন্ত্রীর সম্মানে অনুপ্রাণিত রাজ্যপাল।
আরও পড়ুনঃ Abhishek Banerjee: মাতকাতপুরবাসীর কথা রাখলেন অভিষেক, ২৪ ঘন্টার মধ্যে কাজ শুরু করল প্রশাসন


এদিন রাজ্যপাল বলেন, আমি খুব অনুপ্রাণিত। যোগ্য নেতা এই সন্মান পেল, তার জন্য আমি খুব খুশি। বাংলা এইরকম নেতা পেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো। আমি খুব আনন্দিত এই অনুষ্ঠান হচ্ছে আমার সামনে। নিজের ভাষণে সংস্কৃত স্লোক উদ্ধৃত করে জানালেন, মহিলারা সম্মানিত হলে, দেবতারা আনন্দিত হন। তাঁর কথায়, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও সাহিত্যের সঙ্গে যুক্ত। শিক্ষার মধ্যে রাজনীতি ঢুকলে খারাপ, রাজনীতির মধ্যে শিক্ষা ঢুকলে ভালো।

একইসঙ্গে এদিন সাহিত্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের উদাহরণ টেনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম যুক্ত করলেন রাজ্যপাল। তাঁর কথায়, চেক প্রজাতন্ত্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, এদেশে সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন, অটলবিহারি বাজপেয়ীর নাম উল্লেখ করেন রাজ্যপাল। ডক্টরেট অফ লিটারেচার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাপ্য ছিল। তাই আজ এত বড় সম্মান তাঁকে সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয় তরফে প্রদান করা হল। আমরা সবাই খুশি।
গত বছরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডি’লিট দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছিল, ২০১৭ সাল থেকে যাত্রা শুরু করেছিল সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি বরাদ্দ থেকে একাধিক পর্বেই সহায়তা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি অবদান এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাংলার উচ্চশিক্ষার অগ্রগতির জন্য তাঁকে এই সম্মান দেওয়া হচ্ছে।


মুখ্যমন্ত্রীর সম্মানে অনুপ্রাণিত রাজ্যপাল, কী বললেন তিনি?

কিন্তু রাজ্যপালের মুখে মুখ্যমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসার কথা এত সহজে মেনে বঙ্গ বিজেপি? কারণ, এরা আগে রাজভবনে হাতেখড়ি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর আমন্ত্রণেই বেজায় চটেছিলেন বিজেপি নেতারা। সূত্রের খবর, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বাংলা শাখার তরফে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে অমিত্ শাহকে। সেখানেও স্পষ্ট হয়েছে এই কথা। এখন আবার সেই ছবি দেখা দিল সোমবারের ঘটনায়।







