নজরবন্দি ব্যুরো: তিনি প্রাক্তন রাজ্য বিজেপি সভাপতি, তিনি বিজেপি সাংসদ। কঠিন সময়ে প্রথমে ২০১৬-তে খড়গপুর বিধানসভা থেকে জিতে বিধায়ক হন। আবার ২০১৯-এ মেদিনীপুর লোকসভা থেকে সাংসদও হয়েছেন দিলীপ ঘোষ। এটা বাস্তব তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ছিল না ২০১৪ পর্যন্ত।
আরও পড়ুনঃ অয়নের হার্ড ডিস্কে লুকিয়ে রয়েছে চাকরি দুর্নীতির বিস্ফোরক তথ্য, প্রবল চাপে শান্তনু ঘনিষ্ঠ


কিন্তু তারপর তাঁকে সংঘ পরিবার থেকে নিয়ে এসে দল সভাপতি করে। পরে রাজ্য বিজেপির সভাপতির পদ থেকে কেন্দ্রীয় বিজেপির সহ-সভাপতির পদ পান। শোনা গিয়েছে দ্বিতীয় মোদী সরকারে তাঁকে ক্যাবিনেটের দায়িত্ব নেওয়ার অনুরোধ করলে তিনি নম্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেন। এহেন দিলীপ ঘোষ এবার রাজ্যপালের গত কয়েকদিনের কর্মকাণ্ডের জন্য তাঁকে দরাজ সার্টিফিকেট দিলেন।

দিলীপ বাবু বলেন, রাজ্যপাল ‘কান দিয়ে’ দেখেন না, ‘চোখ দিয়ে’ দেখেন। তাঁর মতো ‘অভিজ্ঞ অফিসার’ বাংলায় খুব কম এসেছেন। এই কথা বলে রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর না পসন্দ অভিব্যক্তির কার্যত উলটো পথে হাঁটলেন দিলীপ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।



রামনবমী থেকে যে অশান্তি রাজ্যের একাধিক জায়গায় ছড়িয়েছে, তাতে মাঠে নেমে পদক্ষেপ করতে দেখা গিয়েছে রাজ্যপালকে। বেনজিরভাবে নিজের কর্মসূচিতে লাগাম টেনে ছুটে গিয়েছেন উত্তেজনা প্রবণ অঞ্চলের এপি সেন্টারে। কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন পুলিশ প্রশাসনকে।
শুভেন্দুর উল্টো পথে হেঁটে রাজ্যপালকে দরাজ সার্টিফিকেট দিলেন দিলীপ

রাজ্জপালের এই পদক্ষেপ দেখে দিলীপ বাবু বলেন, সিভি আনন্দ বোস উপযুক্ত মানুষ। পথে নেমে কাজ করেন রাজ্যপাল। দিলীপবাবু বলেন, ‘রাজভবন রাজনীতির জায়গা নয়।’







