সময় যতই গড়াচ্ছে পেঁয়াজের খোসার মতো বের হচ্ছে নিয়োগ দুর্নীতি সম্পর্কিত একাধিক তথ্য। গতকাল একটি মামলায় ভুয়ো সুপারিশ পত্র এবং ভুয়ো নিয়োগ পত্র দিয়ে চাকরির অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সেই মামলায় বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। তাঁর কথায়, দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত জেলা স্কুল পরিদর্শকরা।
কখনও সাদা খাতা জমা দিয়ে, আবার কখনও নম্বর কারচুপি করে নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। এবার নিয়োগ দুর্নীতিতে নজিরবিহীন ঘটনা দেখেই বিস্মিত কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। এক চাকরি প্রার্থীর সুপারিশপত্র নকল করে এবং নিয়োগপত্র নকল করে চাকরি পেয়েছেন এক চাকরি প্রার্থী। সেটা দেখেই সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি।
চলতি মাসেই বগটুই ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত লালন শেখের মৃত্যু হয়েছে জেল হেফাজতে। লালনের সেই মৃত্যুর তদন্তে সিআইডির ওপরেই আস্থা রাখল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ। জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দিল আদালত। বিচারপতির নজরদারিতে অনুসন্ধানের যে আবেদন করা হয়েছিল তার প্রয়োজনীয়তা নেই বলে মনে করছে আদালত।
সিবিআই নাকি সিআইডি? বগটুই হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত লালন শেখের রহস্যমৃত্যু নিয়ে ক্রমশ প্রশ্ন মাথাচাড়া দিচ্ছিল। আজ আকগুচ্ছ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, লালন শেখের মৃত্যু তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে সিআইডি। কিন্তু সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে এখনই কড়া পদক্ষেপ নিতে পারবে না। এমনকি সিবিআইয়ের আধিকারিকদের বয়ান নেওয়ার সময় ভিডিওগ্রাফি করতে হবে। একইসঙ্গে আদালতের নির্দেশ, লালন শেখের পরবর্তী ময়নাতদন্ত হবে কল্যাণী এইমসে।