নজরবন্দি ব্যুরোঃ কখনও সাদা খাতা জমা দিয়ে, আবার কখনও নম্বর কারচুপি করে নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। এবার নিয়োগ দুর্নীতিতে নজিরবিহীন ঘটনা দেখেই বিস্মিত কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। এক চাকরি প্রার্থীর সুপারিশপত্র নকল করে এবং নিয়োগপত্র নকল করে চাকরি পেয়েছেন এক চাকরি প্রার্থী। সেটা দেখেই সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি।


অভিযোগ, মুর্শিদাবাদের গোথা এ আর হাইস্কুলে প্রধানই শিক্ষক আশিস তিওয়ারির ছেলে অনিমেষ তিওয়ারি কয়েক বছর ধরে ভুগোলের শিক্ষক হিসেব কর্মরত রয়েছেন তিনি। এক চাকরি প্রার্থী আরটিআই করে জানতে পারেন ভুগোলের বিষয়ে পরীক্ষা দেননি ওই শিক্ষক। এমনকি তাঁর নামের কোনও সুপারিশ করা হয়নি।

আরটিআই করে যে তথ্য উঠে এসেছে, তাতে দেখা গেছে আতাউর রহমানের নামে সুপারিশ করা হয়েছিল। এখানেই শেষ নয় অরবিন্দ মাইতির নামে আরও এক চাকরি প্রার্থীর নিয়োগপত্র নকল করে চাকরি পেয়েছেন ওই ভুগোলের শিক্ষক অনিমেষ তিওয়ারি। যা দেখেই হতবাক বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু।
বিচারপতির মন্তব্য, এই ধরনের ঘটনা আর কত ঘটেছে? যাকে নিয়োগ করা হয়েছে, তাঁর তথ্য বিকৃত করা হয়েছে। ছাত্রদের ভবিষ্যত কী? এই মামলার তদন্ত করুক সিআইডি। এমনটাই নির্দেশ দেন তিনি। এমনকি এবিষয়ে সিআইডি তদন্ত করবেন কি না, তা জানাতে হবে আদালতকেই। একইসঙ্গে ওই শিক্ষকের বেতন বন্ধের নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে ওই শিক্ষকের স্কুলে ঢোকা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।


নিয়োগ দুর্নীতিতে নজিরবিহীন ঘটনা, চাকরি বাতিল করল আদালত

একইসঙ্গে বিচারপতির নির্দেশ, পরবর্তী শুনানির দিনে সকাল সাড়ে ১০ টার সময় কলকাতা হাইকোর্টে উপস্থিত থাকতে হবে সিআইডির ডিআইজিকে। সিআইডি রাজি হলে তাঁকেই তদন্তভার দেওয়া হবে।







