"অনুব্রত মণ্ডল এখনও দলের জেলা সভাপতি। দলের অনুমোদন নিয়েই সব করেছেন। গরু, কয়লায় নিজের প্রভাব বিস্তার করেছেন। তৃণমূলের যেটা সবথেকে বড় অ্যাজেন্ডা ছিল বিরোধী শূন্য করে দেওয়া তাও দায়িত্বের সঙ্গে পালন করেছেন। তাই তিনি তৃণমূলের কাছে মূল্যবান।" এই কারণেই গ্রেফতারির পরও তৃণমূলের প্রতিনিধি হয়ে দুজন তিহাড় জেলে দেখা করতে গিয়েছেন বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের।
বীরভূমের সাঁইথিয়ার দুই ব্যবসায়ী প্রিংশু ছাঝের ও আকুল দাস নামে দুই ব্যবসায়ীকে বৃহস্পতিবার নিজাম প্যালসে তলব করা হয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর, গরুপাচারকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত এনামুল হকের সঙ্গে এই দুই চাল ব্যবসায়ীর লেনদেন হয়েছে, এমনটাই হদিশ পেয়েছে সিবিআই। গরু পাচারের টাকা কোথা থেকে কার হাতে যেত, এসব তথ্য জানতে চাওয়া হবে দুজনের কাছ থেকে।
গরু পাচার মামলার তদন্তে কাস্টম অফিসারদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। তার ভিত্তিতেই অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গলকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই। জানা গিয়েছে, আদালতের অনুমতি নিয়ে গরু পাচার মামলায় তৃণমূলের বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকেও জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে তদন্তকারী আধিকারিকরা। বীরভূমের দাপুটে নেতাও এই মুহূর্তে তিহাড় জেলে বন্দি।
আপাতত তিহাড় মুক্তি পাচ্ছেন না বীরভূমের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডল! শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে জামিনের মামলার সেই শুনানি খারিজ করে দেয়। অর্থাৎ দিল্লির আদালত জামিন দিল না বীরভূমের তৃণমূল সভাপতিকে। যদিও এখনও পর্যন্ত এই মামলায় পরবর্তী শুনানি কবে হবে তা জানা যায়নি। কিন্তু এই মামলায়, তিহাড় জেলের কাছ থেকে অনুব্রতর মেডিক্যাল রিপোর্ট বারবার চাওয়া হলেও, জেল থেকে তা দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেছেন অনুব্রতর আইনজীবী।
বিফলে গেল কেষ্টর প্রার্থনা! মেয়ের জামিনের জন্যই বারংবার ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন তিনি। কিন্তু সুফল মিলল না। আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত সুকন্যা মণ্ডলের জেল হেফাজতের মেয়াদ বাড়াল দিল্লি রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। অর্থাৎ স্বস্তি পেল না কেষ্টর কন্যা সুকন্যা!