গরু পাচার মামলায় বীরভূমের তৃণমূলের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। এরপর কেটে গিয়েছে দেড় বছরের বেশি সময়। তবে তৃণমূলের নেতৃত্ব শুরু থেকেই অনুব্রতর পাশে ছিলেন।
লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের দুই প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় ও দীপক অধিকারী ওরফে দেব। একজন বিজেপির টিকিটে লড়বেন অন্যজন তৃণমূলের টিকিটে। দুজনেই আবার নিজের নিজের দলের তারকা সদস্য।
দীর্ঘ আট ঘণ্টা পর ইডি দফতর থেকে বেরোন তিনি। জানা গিয়েছে, আট ঘণ্টায় ম্যারাথন জেরার মধ্যে পড়তে হয়েছে তাঁকে। যদিও হাসিমুখেই বাইরে বেরিয়ে আসেন তিনি। এরপরই ইডিকে নিয়ে প্রশংসা শোনা যায় তাঁর মুখে।
শাসক দল তৃণমূল নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এগিয়ে চলেছে। এই সময় বাংলা থেকে দূরে তিহার জেলে বন্দী বীরভূমের দাপুটে নেতা। রবিবার বীরভূমে প্রশাসনিক সভা থেকে আরও একবার তাঁর পাশে থাকার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
বীরভূমের বোলপুরের তৃণমূলের একটি কার্যালয়ে ইতিমধ্যেই তদন্তকারীদের নজরে এসেছে। সেই সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে দিল্লির সদর দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। গরু পাচার মামলায় নতুন মোড় আসতে চলেছে! লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Election) আগে ফের সক্রিয় হয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
শারীরিক অসুস্থতার কথা জানালেও খারিজ হয়েছে তাঁর জামিনের আবেদন। মঙ্গলবার ফের দিল্লির আদালতে জামিনের আর্জির শুনানি ছিল। হুইল চেয়ারে করে হাজিরা দেন অনুব্রত। কিন্তু এবারও আবেদন খারিজ হয়ে যায়।