নজরবন্দি ব্যুরো: গরু পাচার মামলায় গতবছর গ্রেফতার হয়েছেন বীরভূমের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডল। কয়েকমাস আগেই তাঁকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এই মুহূর্তে তিহাড় জেলে বন্দী। একাধিকবার জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে আদালতে। কার্যত ভেঙে পড়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। এবার কেষ্ট ঘনিষ্ঠ চার জনকে দিল্লিতে তলব করল ইডি (ED investigation on Cattle Smuggling Case)।



আরও পড়ুন: প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে আয়কর হানা, ওড়িশার ৩০০ কোটি নগদের যোগ?
সূত্রে খবর, বীরভূমের (Birbhum) বোলপুরে তৃণমূলের একটি কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির নজরে আসেন। এই কার্যালয়ে বসতেন খোদ অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। বিলাসবহুল এই কার্যালয় ঘিরে অনেক প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তিনতলা ঘরে এসি লাগানো রয়েছে সর্বত্র। মেঝেতে মার্বেল, ফলস সিলিং এবং পুরো কার্যালয়টি সিসিটিভির আওতায়। দেখেই বোঝা যায়, বাড়িটি তৈরি করতে বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করা হয়েছে। কিন্তু এত টাকা এল কোথা থেকে? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে ইডি (Enforcement Directorate)।



ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, বোলপুরের তৃণমূলের কার্যালয় তৈরি করতে প্রায় তিন কোটি টাকায় তৈরি হয়েছে। কোথা থেকে এই টাকা এল তা জানতে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ চারজনকে তলব করা হয়েছে দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে। বোলপুর পুরসভার ২২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শিবনাথ রায় ওরফে ক্যাবলাকে তলব করেছে ইডি। এছাড়া আরও তিনজনকে তলব করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই তাঁদের হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। এই চারজনই বীরভূমের প্রাক্তন জেলা সভাপতির ঘনিষ্ঠ বলে জানা গিয়েছে।
অনুব্রত ঘনিষ্ঠ ৪ জনকে দিল্লিতে তলব ইডির, কোন দিকে ঘুরছে তদন্ত?

প্রসঙ্গত, বোলপুরের ওই কার্যালয়টি ক্যাবলা ও বোলপুর পুরসভার তিনজন কর্মীর নামে কেনা হয়। পরবর্তীকালে অনুব্রত মণ্ডল একটি ট্রাস্ট তৈরি করেন। এগুলি সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে খবর।







