গরু পাচার মামলায় দেড় বছরের বেশি সময় ধরে জেলবন্দী তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। সামনেই লোকসভা নির্বাচন, শাসক দল তৃণমূল নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এগিয়ে চলেছে। এই সময় বাংলা থেকে দূরে তিহার জেলে বন্দী বীরভূমের দাপুটে নেতা। রবিবার বীরভূমে প্রশাসনিক সভা থেকে আরও একবার তাঁর পাশে থাকার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।



আরও পড়ুন: উত্তম-শিবুর গ্রেফতারিতে ছবি বদল সন্দেশখালির, মিষ্টিমুখে মাতলেন মহিলারা
এদিনের অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘কেষ্টকে কতদিন ধরে জেলে ভরে রেখেছে, কিন্তু মানুষের মন থেকে ওঁকে মুছে ফেলা যায়নি। ও কাজ করতে জানে বলে জেলে আটকে দিয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি দেখছিলাম, তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা ওর কথা বলছে।’ তৃণমূলের শুরু থেকেই দলের হয়ে কাজ করেছেন অনুব্রত মন্ডল। লোকমুখে শোনা এখনও শোনা যায়, একসময় বীরভূমে অনুব্রতর নামে বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খেত। বিরোধীদের তরফে অভিযোগ উঠত, অনুব্রত মণ্ডলের জমানায় বিরোধীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারতেন না।



মমতা বন্দোপাধ্যায় নিজে অনুব্রত মণ্ডলকে বীরভূমের জেলা সভাপতি করেছিলেন। বীরভূমের পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমানের একাংশের সংগঠন দেখার দায়িত্বও ছিল তাঁর কাঁধে। কোনও ভোটেই হতাশ করেননি তিনি। ১৯-এ কার্যত অনুব্রতর সক্রিয় ভূমিকার কারণেই বীরভূমের দুটি লোকসভা তৃণমূলের দখলে। রবিবার সেকথা আরও একবার মনে করিয়ে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
বাংলা থেকে দূরে তিহারে বন্দী অনুব্রত, বীরভূমে কেষ্টর পাশে থাকার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

২০২২ সালের ১১ আগস্ট গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করে সিবিআই (CBI)। এরপর ইডিও এই মামলার তদন্ত শুরু করে। কয়েক মাস আগেই গরু পাচার মামলা দিল্লিতে স্থানান্তরিত করা হয়। আপাতত তিহার জেলে বন্দী রয়েছেন বীরভূমের কেষ্ট।







